kalerkantho


পরমাণু নিরাপত্তা সম্মেলন

আলোচনার শুরুতেই ‘উত্তর কোরিয়া’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে পরমাণু নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রথম দিনেই প্রাধান্য পেয়েছে উত্তর কোরিয়াবিষয়ক আলোচনা। দেশটির পরমাণুবিষয়ক কর্মকাণ্ড থামাতে গত বৃহস্পতিবার সতর্কভাবে জাতিসংঘের পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানি মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করেন ওবামা। এদিন পরে সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘পিয়ংইয়ং যেসব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু কার্যক্রম চালাচ্ছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পদক্ষেপগুলো সতর্কতার সঙ্গে কার্যকর করাটা পুরো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যই জরুরি। ’

গত জানুয়ারিতে উত্তর কোরিয়া একটি পরমাণু বোমার পরীক্ষা চালায়। পরের মাসেই তারা একটি দূরপাল্লার রকেট উেক্ষপণ করে। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিরোধিতা আর সমালোচনার মধ্যে উত্তর কোরিয়া তাদের একের পর এক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। পারমাণবিক পদার্থের অপব্যবহার রোধে আয়োজিত সম্মেলনে আসা বিশ্বনেতাদের সামনে উত্তর কোরিয়ার এসব কার্যক্রম প্রতিহত করার বিষয়টি তুলে ধরেন ওবামা।

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী পরমাণু নিরাপত্তাবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে প্রায় ৫০টি দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানান ওবামা। দুইবারের প্রেসিডেন্ট ওবামা এ নিয়ে চারবার এ ধরনের আয়োজন করেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটাই শেষ আয়োজন।

আমন্ত্রণ সত্ত্বেও সম্মেলনে যোগ দেয়নি রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, ইরান ও বেলারুশ।

গবেষণাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে স্বল্প পরিমাণে পারমাণবিক পদার্থ সংরক্ষিত রয়েছে। অনেক স্থানে সংরক্ষিত পারমাণবিক পদার্থের সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। সে ক্ষেত্রে পারমাণবিক পদার্থগুলো জঙ্গিগোষ্ঠীর হাতে পড়লে এর অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে পারমাণবিক পদার্থের অবৈধ লেনদেন, অবৈধভাবে নিজের কাছে রাখা, চুরি যাওয়ার মতো প্রায় দুই হাজার ৮০০টি ঘটনার রেকর্ড জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) কাছে আছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইসলামিক স্টেট  পরমাণু বোমা তৈরি করে কাজে লাগাতে পারে। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য