kalerkantho


চীনকে মোকাবিলায় সাবমেরিন কিনতে চায় ফিলিপাইন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



দক্ষিণ চীন সাগরের মালিকানা নিয়ে চীনের অব্যাহত হুমকির মুখে নিজেদের নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে ফিলিপাইন। এরই অংশ হিসেবে নৌবাহিনীতে সাবমেরিন বহর যোগ করার চিন্তাভাবনা করছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট বেনিনো অ্যাকুইনো।

গতকাল বুধবার তিনি বলেছেন, দক্ষিণ চীন সাগরে বিতর্কিত অঞ্চল রক্ষায় সহায়তার জন্য ফিলিপাইন সাবেমরিন প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারে।

ফিলিপাইনের হাতে বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ থাকলেও কোনো সাবমেরিন নেই। যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত জাহাজের ওপরই তাদের নৌবাহিনী নির্ভরশীল। এমন অবস্থা সত্ত্বেও চীনের হুমকির জবাবে দেশটি নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও ব্রুনাইয়ের দক্ষিণ চীন সাগরে মালিকানা দাবি সত্ত্বেও পুরো এলাকা নিজেদের দাবি করে চলেছে চীন। এ অবস্থায় এ অঞ্চলের জলসীমানায় মালিকানা হারানোর শঙ্কাও পেয়ে বসেছে অ্যাকুইনোর মনে। তিনি বলেন, ‘চীন তাদের দাবিতে সফল হলে ফিলিপাইন তার পুরো পশ্চিম উপকূলে নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে। এ কারণে নিজেদের রক্ষার প্রয়োজনে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকীকরণ করতে হবে। আমাদের সাবমেরিন প্রয়োজন আছে কি নেই সে ব্যাপারে আমরা এখন গবেষণা করছি।

অবশ্য ফিলিপাইনের এসব প্রচেষ্টা কোনো কাজে আসবে কি না তা ভবিষ্যৎই বলে দেবে। কেননা সামরিক ক্ষেত্রে ফিলিপাইনের ব্যয় চীনের তুলনায় অনেক কম। অ্যাকুইনো প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ব্যয় এবং নতুন জাহাজ ও বিমান কেনার চেষ্টা করছেন। এর পরও ব্যয়ে চীনের কাছাকাছি পৌঁছতে পারছে না তাঁর দেশ। চীন এ বছর সামরিক খাতে ১৪৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে, যা ফিলিপাইনের তুলনায় ৫৯ গুণ বেশি।

চীনের হুমকি মোকাবিলায় ফিলিপাইন তার দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকিয়ে আছে। তা ছাড়া শত্রুতা ভুলে জাপানের দিকেও হাত বাড়িয়েছে। যুদ্ধাস্ত্রের জন্য এই দুই দেশের ওপর অনেকটা নির্ভরশীল ফিলিপাইন। এ ছাড়া চীনের দাবি অবৈধ ঘোষণার দাবিতে তারা জাতিসংঘে সালিসি আদালতে শরণাপন্ন হয়েছে। অবশ্য চীন এ আদালতের শুনানি বয়কট করে চলেছে। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য