kalerkantho


বিচারবহির্ভূতভাবে ফিলিস্তিনি হত্যা

ইসরায়েলি আর্মিকে আইনের আওতায় আনার দাবি

জাতিসংঘ এ ঘটনাকে ‘দৃশ্যত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ইসরায়েলি আর্মিকে আইনের আওতায় আনার দাবি

এক ইসরায়েলি সেনা খুব কাছ থেকে নিরস্ত্র ও আহত এক ফিলিস্তিনির মাথায় গুলি করে হত্যার ভিডিও চিত্র ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়ার পরও তার গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে মত দিয়েছে ৫৭ শতাংশ ইসরায়েলি। অন্যদিকে এ ঘটনায় পুরো ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে হেবরনভিত্তিক এক মানবাধিকার সংগঠন।

ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল ২-এর পরিচালিত দর্শক জরিপে আরো দেখা যায়, মাত্র ৫ শতাংশ ইসরায়েলি এটাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছে। ৪২ শতাংশ ইসরায়েলি প্রশ্ন তুলেছে, এ ঘটনার দায় ওই সৈন্যের কি না। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের সামরিক আদালতের সংশ্লিষ্ট বিচারক অভিযুক্ত সৈন্যের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণ ‘অমীমাংসিত’ বলে মন্তব্য করেছেন। বিচারকের এ মন্তব্যে ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

হেবরনভিত্তিক সংগঠন ইউথ এগেইনস্ট সেটলমেন্টসের পরিচালক ইসা আমরো আদালতের বক্তব্য ‘মিথ্যা’ অভিহিত করে বলেন, কোনো রকম বিপদের হুমকি না থাকার পরও ফাত্তাহকে গুলি করার অধিকার ওই সৈন্যের ছিল না। জাতিসংঘ এ ঘটনাকে ‘দৃশ্যত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করে।

ভিডিও চিত্রে ২১ বছর বয়সী আবেদ আল-ফাত্তাহ ইউসরি আল-শরিফ নামের এক ফিলিস্তিনি তরুণকে একজন ইসরায়েলি সেনার গুলি করে হত্যার দৃশ্য দেখা গেছে। ফাত্তাহ ও তাঁর সঙ্গী রামজি আজিজ আল-কাসরাওয়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে এক ইসরায়েলি সেনাকে ছুরিকাঘাত করেছেন। এ ঘটনায় ইসরায়েলি সেনার গুলিতে আহত ফাত্তাহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং রামজি সঙ্গে সঙ্গেই নিহত হন। এরপর ফাত্তাহকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। ফাত্তাহর মাথায় গুলি করে হত্যার ভিডিও চিত্রটি ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ওই সৈন্যকে আরো দুই দিন আইনি হেফাজতে রাখার আদেশ দিয়েছেন সামরিক আদালত। তবে তার বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণ ‘অমীমাংসিত’ বলে উল্লেখ করেন বিচারক। সূত্র : আল-জাজিরা।


মন্তব্য