kalerkantho


পালমিরার নিয়ন্ত্রণ নিল সিরিয়ার সরকারি বাহিনী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



পালমিরার নিয়ন্ত্রণ নিল সিরিয়ার সরকারি বাহিনী

ইস্টার বিদ্রোহের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে গতকাল আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তির লক্ষ্যে আইরিশরা ১৯১৬ সালের ২৭ মার্চ ইস্টার আন্দোলনের ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার মধ্য দিয়েই আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার পথ তৈরি হয়। ১৯১৬ সালের সেই ঘোষণাপত্রের একটি কপি দেখাচ্ছেন এক সেনা সদস্য। ছবি : এএফপি

সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের কাছ থেকে দেশটির প্রাচীন নগরী পালমিরার পুরোটাই উদ্ধার করেছে। গতকাল রবিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও একটি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। সিরীয় বাহিনী কয়েক দিন ধরেই রাশিয়ার বিমান হামলার সহায়তায় একটু একটু করে পালমিরা কব্জায় নিয়ে আসছিল। আগের দিন শনিবার তারা প্রাচীন নগরীর প্রান্তের পাহাড়শ্রেণি ও দুটি দুর্গ অধিকারে নিয়েছিল। সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, পুরো নগরীটি বর্তমানে সেনাবাহিনীর ‘পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে’ এসেছে।

ইউনেসকো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ পালমিরা ও সংলগ্ন আধুনিক শহরটি আইএস জঙ্গিরা ২০১৫ সালের মে মাসে দখল করে নেয়। শনিবার সিরীয় সামরিক বাহিনীর পোস্ট করা ছবিতে পালমিরায় হেলিকপ্টার ও ট্যাংক থেকে আইএসের অবস্থান লক্ষ্য করে গোলাগুলি চালাতে দেখা যায়।

তবে গতকাল ব্রিটেনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস’ বলেছে, নগরীর পূর্ব প্রান্তে এখনো গোলাগুলি চলছে। তবে আইএস যোদ্ধাদের বেশির ভাগই সেখান থেকে পূর্ব দিকে পিছু হটে গেছে। এদিন রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা পালমিরা ও এর আশপাশে ১৫৮টি আইএসের লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলায় শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়েছে।

পালমিরা দখলে নেওয়ার পর আইএস জঙ্গিরা দুটি দুই হাজার বছরের পুরনো মন্দির, বিশেষভাবে নির্মিত ধনুক আকৃতির খিলান ও কয়েকটি সমাধিস্তম্ভ ধ্বংস করে। ওই  ঘটনায় বিশ্বব্যাপী হাহাকার ও  নিন্দার ঝড় ওঠে। জঙ্গি সংগঠনটি সিরিয়ার প্রতিবেশী ইরাকেও ইসলামপূর্ব যুগের বেশ কিছু ঐতিহাসিক স্থান ধ্বংস করে। তারা ওই সব স্থানকে পৌত্তলিকতার চিহ্ন মনে করে।

ইউনেসকো আইএসের ওই সব কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য