kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


মিয়ানমারের সেনাপ্রধান

রাজনীতিতে সামরিক আধিপত্য থাকবে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



রাজনীতিতে সামরিক আধিপত্য থাকবে

মিয়ানমারের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাপ্রধান মিন অং লাইং। তাঁর মতে, সেনাবাহিনী দেশের একমাত্র ঐক্যবদ্ধ শক্তি এবং সংবিধানের রক্ষক। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা নেওয়ার তিন দিন আগে গতকাল রবিবার এ মন্তব্য করেন তিনি।

গত নভেম্বরে দেশটির ঐতিহাসিক নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় অং সান সু চির দল ‘ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি’ (এনএলডি)। কিন্তু সামরিক সরকারের তৈরি করা সংবিধান মোতাবেক সু চি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। কারণ, তাঁর সন্তানরা ব্রিটেনের নাগরিক। সংবিধান মোতাবেক, পার্লামেন্টের চার ভাগের এক ভাগ আসন সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র, সীমান্ত বিষয়ক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও থাকবে সেনাপ্রধানের দখলে।

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ক্ষমতায় আসে ১৯৬২ সালে। এরপর থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশটি তাদের শাসনে চলছে। ৫৬ বছর পর আগামী বুধবার ক্ষমতা হাতে নিতে যাচ্ছে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত দল এনএলডি। কিন্তু তার আগেও সেনাবাহিনীর ক্ষমতা ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন সেনাপ্রধান।

গতকাল সামরিক এক কুচকাওয়াজে মিন অং বলেন, রাজনীতি থেকে সামরিক বাহিনীর সরে দাঁড়ানোর সময় এখনো আসেনি। ‘রাজনীতির নেতৃত্বে সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি থাকতে হবে। কারণ ঐতিহাসিকভাবে দেশের ক্রান্তিকালে সেনাবাহিনীর ভূমিকা বরাবরই ছিল। ’ তিনি আরো বলেন, ‘সামরিক বাহিনী বিশ্বাস করে তারাই দেশের একমাত্র ঐক্যবদ্ধ শক্তি এবং সংবিধানের রক্ষক। ’

বর্তমান সংবিধান সংশোধনের সম্ভাবনাও নাকচ করে দেন সেনাপ্রধান। বলেন, ‘সংবিধানের প্রতি সমাজের সব প্রতিনিধির সমর্থন রয়েছে। জনগণেরও অনুমোদন আছে। ’ প্রসঙ্গত, আগামী শুক্রবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন তিন কিয়াও। তিনি সু চির খুব কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত। ধারণা করা হচ্ছে, কিয়াও প্রেসিডেন্ট হলেও চলবেন সু চির কথামতোই।

সূত্র : রয়টার্স, এএফপি।


মন্তব্য