kalerkantho

সোমবার। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ । ১০ মাঘ ১৪২৩। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৮।


ইহুদিবাদে গভীর অনুরাগ ট্রাম্পের

মার্কিন দূতাবাস সরাব জেরুজালেমে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মার্কিন দূতাবাস সরাব জেরুজালেমে

ওয়াশিংটনে আইপ্যাক সম্মেলনস্থলের বাইরে ট্রাম্পবিরোধীদের বিক্ষোভ। সোমবারের ছবি। ছবি : এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইসরায়েলি লবির গুরুত্ব সীমাহীন। তবে সেটা কতটা তারই আরেক দফা প্রমাণ মিলল গত সোমবার ওয়াশিংটনে আমেরিকান-ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির (এআইপিএসি বা আইপ্যাক) সম্মেলনে।

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইসরায়েল প্রসঙ্গে তাঁদের ভবিষ্যৎ নীতি ও অবস্থান নিয়ে সম্মেলনে কথা বলেন।

প্রত্যাশা ছিল ইসরায়েলের প্রতি পক্ষপাতের একটা প্রতিযোগিতা দেখা যাবে। তবে তেমন কিছু না হয়ে পুরো বিষয়টিকেই এক তরফা মুঠোয় পুরে ফেললেন রিপাবলিকান প্রার্থিতা প্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পষ্ট ঘোষণা দিলেন, তাঁর মতো ইসরায়েলপন্থী আর কেউ নেই। তিনি তেলআবিব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নিয়ে আসবেন।

জেরুজালেম নিয়ে ওই অঞ্চলে সংকট চলছে কয়েক দশক ধরে। ফিলিস্তিন তাদের রাজধানী হিসেবে এই শহরটিকেই পেতে চায়। ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে এই শহর দখল করে। তাদের ইচ্ছা জেরুজালেমকে রাজধানী করার।

ট্রাম্পের ওই ইহুদি তোষণকারী ভাষণ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে সম্মেলনের উপস্থিত ১৫ হাজারেরও বেশি আইপ্যাক সদস্যের। দফায় দফায় হাত তালি, দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানানো চলতে থাকে। যদিও শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, ট্রাম্পের মতো বিতর্কিত ও বিভেদ সৃষ্টিকারী ব্যক্তি আইপ্যাকে সুবিধা করতে পারবেন না।

ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিলারি ক্লিনটন নিজেকে ইসরায়েলের ‘পরীক্ষিত বন্ধু’ দাবি করেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি।

সম্মেলনে লম্বা বক্তব্য দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা সবই বলেন, কিন্তু কাজের বেলায় কিছুই করেন না। বর্তমান ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সব শেষ করে দিয়েছেন। হিলারি ও ওবামা ইসরায়েলকে ভালো নজরে দেখেননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি ভেস্তে দেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্য অশান্ত করার জন্য ইরানকে শাস্তি দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর সন্তানসম্ভবা মেয়ে ইভানকারের ঘরে শিগগিরই একটি ফুটফুটে ইহুদি শিশু জন্ম নেবে। সূত্র : দ্য ইনডিপেনডেন্ট, এএফপি।


মন্তব্য