kalerkantho


স্কুল বন্ধুর ওপরই ভরসা সু চির

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে সহজ জয় পাওয়া তিন কিয়াও রাজনৈতিক পরিচয়ে জনসমক্ষে এসেছেন খুব বেশি দিন নয়। তা সত্ত্বেও যোগ্যতা এবং একই সঙ্গে অং সান সু চির প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্যের কারণে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে সু চির প্রতিনিধিত্ব করছেন—সু চির ঘনিষ্ঠজন ও বিশ্লেষকদের সেটাই বক্তব্য।

সু চির স্কুল জীবনের বন্ধু তিন কিয়াও মিয়ানমারের প্রয়াত কবি ও ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) সাবেক সদস্য মিন থু উনের ছেলে। তাঁর জন্ম ১৯৪৬ সালে। ১৯৬৮ সালে ইয়াঙ্গুন ইকোনমিকস ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭০ দশকের শেষ দিক থেকে শুরু করে আশির দশক পর্যন্ত তিনি সরকারের অর্থ ও জাতীয় পরিকল্পনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন। কিয়াওয়ের স্ত্রী সু সু লিউইন নিজেও এনএলডির পার্লামেন্ট সদস্য। লিউইনের প্রয়াত বাবা এনএলডির মুখপাত্র ছিলেন।

সু চির সঙ্গে কিয়াওয়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের দিকটি সামনে আসে ২০১০ সালে। প্রায় দেড় দশকের গৃহবন্দিত্ব শেষে ওই বছর সু চিকে মুক্তি দেয় জান্তা সরকার। মুক্তির দিন সু চির বাড়ির গেটে ঠিক তাঁর পাশেই দেখা যায় কিয়াওকে। মুক্তির পরও সু চি যখন সেনাবাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যে ছিলেন, তখন তাঁর গাড়িচালকের ভূমিকা পালন করেছেন মৃদুভাষী কিয়াও। সু চির সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টার একজন তিনি। চার বছর ধরে তিনি জ্যেষ্ঠ নির্বাহী হিসেবে সু চির দাতব্য সংস্থা পরিচালনায় সহায়তা করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সু চির দল এনএলডিতে তিনি যোগ দিয়েছেন গত বছরই। এনএলডি অবশ্য সময়টা নিশ্চিত করেনি। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া সু চির দল এনএলডি গত বৃহস্পতিবারের আগ পর্যন্ত তাদের পছন্দের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর নাম গোপন রেখেছিল। জান্তা সরকারের আমলে প্রণীত সংবিধান অনুসারে সু চি প্রেসিডেন্ট হতে না পারলেও প্রেসিডেন্টের ওপরে থেকে দেশ পরিচালনার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। সূত্র : এএফপি।


মন্তব্য