kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


জার্মানির আঞ্চলিক নির্বাচন

মার্কেলের উদারনীতি ধাক্কা খেলো

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মার্কেলের উদারনীতি ধাক্কা খেলো

শরণার্থী ইস্যুতে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের ‘উদারনীতি’ বড় রকমের ধাক্কা খেয়েছে। গত রবিবারের আঞ্চলিক নির্বাচনে তিনটি প্রদেশের মধ্যে দুটিতেই হেরে গেছে তাঁর দল ‘ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন’ (সিডিইউ)। আর নির্বাচনে বড় রকমের সফলতা পেয়েছে শরণার্থীবিরোধী দল ‘অলটারনেটিভ ফর জার্মানি’ (এএফডি)।

শরণার্থী ইস্যুতে এখন পর্যন্ত উদারনীতিতে বিশ্বাসী মার্কেল। আর এর ফলে কেবল ২০১৫ সালেই জার্মানিতে প্রবেশ করেছে প্রায় ১১ লাখ শরণার্থী। মার্কেলের এই অবস্থান শুরু থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল জার্মানদের কাছে। এ জন্য তিনটি প্রদেশে রবিবারের আঞ্চলিক নির্বাচনকে বলা হচ্ছিল মার্কেলের নীতি ও তাঁর দলের জনসমর্থনের ‘লিটমাস টেস্ট’। কিন্তু সেই পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি মার্কেল। ভরাডুবি হয়েছে সিডিইউর।

১৬টির মধ্যে এই পর্বে ভোট হয়েছে পশ্চিমাঞ্চলীয় বাডেন-ভুরটেমবার্গ, রাইনল্যান্ড-পালাটিনেট ও স্যাক্সোনি আনহাল্ট প্রদেশে। এর মধ্যে বাডেন-ভুরটেমবার্গ সিডিইউর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও জিততে পারেনি। প্রদেশটিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তাদের একক আধিপত্য ছিল। সিডিইউ জিততে পারেনি রাইনল্যান্ড-পালাটিনেট প্রদেশেও। তবে সংখ্যা আগের চেয়ে কমলেও দলটি স্যাক্সোনি আনহাল্ট প্রদেশে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে।

নির্বাচনে শরণার্থীবিরোধী দল এএফডির সফলতা চোখে পড়ার মতো। প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই তারা স্যাক্সোনি আনহাল্ট প্রদেশে জিতে নিয়েছে ২৪টি আসন। একইভাবে বাডেন-ভুরটেমবার্গ ও রাইনল্যান্ড-পালাটিনেটে প্রদেশে তারা আসন পেয়েছে যথাক্রমে ২৩টি ও ১৪টি। কয়েকজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের হাত ধরে ২০১৩ যাত্রা শুরু করে এএফডি।

এদিকে মার্কেলের দলের ভরাডুবির জন্য তাঁর উদারনীতিকেই দুষছে বেশির ভাগ মানুষ। সমালোচনাকারীদের মধ্যে আছে সিডিইউর সহযোগী দল সিএসইউ। এই দলের প্রধান হোরস্ট সিওফার বলেন, ‘সিডিইউর ভরাডুবির কারণ শরণার্থী ইস্যুতে তাদের নীতি। এই উদারনীতির কোনো মানেই হয় না। ’

জার্মান প্রেস লিখেছে, ‘এই ফল মার্কেলকে একটি পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে। ’ ‘স্পাইগেল অনলাইন’ লিখেছে, ‘সিডিইউর কালো রাত। ’ সূত্র : বিবিসি, এএফপি।


মন্তব্য