kalerkantho


শান্তি সংলাপ শুরু নিয়ে সংশয়

আসাদ প্রশ্নে মতভেদ চরমে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



আসাদ প্রশ্নে মতভেদ চরমে

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের ক্ষমতায় থাকা-না থাকার প্রশ্নে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে মতভেদ চরমে উঠেছে। আসাদবিরোধীরা গত শনিবার বলেছে, পাঁচ বছরের রক্তপাত বন্ধে আসাদকে অবশ্যই ‘জীবিত অথবা মৃত’ সরে যেতে হবে। বিপরীতে সিরিয়া সরকার জানিয়ে দিয়েছে, আসাদের সরে যাওয়া নিয়ে তারা কারো সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না।

এ পটভূমিতে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী আজ সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা।

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যস্থতায় সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি চলার মধ্যে আয়োজিত আজকের শান্তি আলোচনায় আসাদ সরকার প্রতিনিধি পাঠাবে বলে জানিয়েছে। তবে তারা আলোচ্যসূচি সীমিত করে দিয়েছে। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ মুয়াল্লেম বলেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের কথাবার্তা হলে তারা যোগ দেবে না।

জাতিসংঘ সিরিয়ায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠাসহ ছয় মাসের মধ্যে নতুন সংবিধান প্রণয়নের ওপর জোর দিচ্ছে। এ ছাড়া আগামী বছরের মধ্যে পার্লামেন্ট ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বিশ্ব সংস্থাটি। সিরিয়াবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত স্তাফান দি মিসতুরা বলেন, তিনি আগামী ১৮ মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দেখতে চান। শান্তি আলোচনার জন্য গঠিত আসাদবিরোধীদের হাই নেগোসিয়েশনস কমিটি (এইচএনসি) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে সমস্ত নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত করার পক্ষে।

কিন্তু আসাদ সরকারের তরফে বিষয়টি সরাসরি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।

এ আবহে আজকের শান্তি সংলাপ শুরু হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা হয়েছে। এইচএনসির এক মুখপাত্র বলেন, সরকারের পূর্বশর্ত আলোচনা ব্যাহত করতে পারে। আর এইচএনসির প্রধান আলোচক মোহাম্মদ আলাউশ শনিবার বলেন, ‘আমরা যেকোনোভাবে আসাদের বিদায়ের মধ্য দিয়ে হোক তার ক্ষমতাচ্যুতি অথবা মৃত্যু—অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যাত্রা শুরু করতে চাই। ’

বিগত আলোচনাগুলোয় প্রেসিডেন্ট আসাদের ভাগ্য কী হবে তা ছিল অন্যতম প্রধান বিষয়।

তবে ওই দিনই সিরীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুয়াল্লেম বলেন, জাতিসংঘ বা অন্য কারোর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে বলার অধিকার নেই। এটা কেবল সিরীয় জনগণের অধিকার। সূত্র : এএফপি, রয়টার্স।


মন্তব্য