ক্যামেরন সারকোজির সমালোচনায় ওবামা-334903 | দেশে দেশে | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ

ক্যামেরন সারকোজির সমালোচনায় ওবামা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ক্যামেরন সারকোজির সমালোচনায় ওবামা

লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিভ ক্যামেরনের তীব্র সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ছাড় দেননি ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকেও। বৃহস্পতিবার মার্কিন সাময়িকী ‘দি আটলান্টিক’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেছেন, সামরিক অভিযান শুরুর পর লিবিয়া ইস্যুতে ক্যামেরনের মনোযোগ ছিল না। আর সারকোজি হতে চেয়েছিলেন অভিযানের ‘মধ্যমণি’।

২০১১ সালে ন্যাটোর নেতৃত্বে লিবিয়ায় সামরিক অভিযান চালায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। ওই অভিযান ও বিদ্রোহের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হন লিবিয়ার নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি। কিন্তু গাদ্দাফি উৎখাত হলেও দেশটির পরিস্থিতি ক্রমেই আরো খারাপের দিকে যায়। এখনো সরকার গঠন নিয়ে সেখানে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো সুরাহা হয়নি। এর মধ্যে উত্থান হয়েছে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতো জঙ্গি সংগঠনের।

‘দি আটলান্টিক’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে মূলত লিবিয়া ইস্যু নিয়েই কথা বলেন ওবামা। তাঁর দাবি, তিনি অভিযানের বিপক্ষে ছিলেন না। কিন্তু অভিযানের শুরুতে তিনি ক্যামেরনকে সতর্ক করে বলেছিলেন, লিবিয়া ইস্যুতে পক্ষপাতহীনভাবে সহায়তা করতে হবে। এমনকি প্রতিরক্ষা খাতে যুক্তরাজ্যকে জিডিপির ২ শতাংশ অর্থ খরচ করা লাগতে পারে।

ওবামা মনে করেন, ‘যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের ওই সামরিক অভিযান নিয়ে সমালোচনার অনেক জায়গা আছে। কারণ ইউরোপীয়দের ওপর আমার আস্থা ছিল, অভিযানের পরও সেখানে তারা কাজ করবে। কিন্তু অভিযান শুরুর পরপরই লিবিয়া ইস্যুতে ক্যামেরন মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন। বেশ কয়েকটি কারণে বিহ্বল হয়ে পড়েন তিনি।’ সারকোজিকে নিয়ে ওবামা বলেন, ‘তিনি অভিযানের মধ্য দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে চেয়েছিলেন।’

লিবিয়াকে উদাহরণ হিসেবে ধরে ইউরোপীয় ও উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের সমালোচনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দশক ধরে একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সেটা হলো, কোনো সংকটে কয়েকটি দেশ প্রথমে আগ্রহ দেখায়। কিন্তু সংকট শেষ হওয়ার আগেই মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ায় তারা।’

এদিকে ওবামার এমন সমালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য দুই দেশই চাচ্ছে তাঁর বক্তব্যকে নমনীয়ভাবে উপস্থাপন করতে। হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে বলে, ওবামার কাছের বন্ধুদের মধ্যে ক্যামেরন একজন। অন্যদিকে ক্যামেরনের কার্যালয় বলেছে, লিবিয়া ইস্যুতে বেশ কয়েকটি প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। সূত্র : এএফপি, বিবিসি।

মন্তব্য