kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ফিলিপাইন-জাপান বিমান চুক্তিতে চীনের সতর্কতা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ফিলিপাইন-জাপান বিমান চুক্তিতে চীনের সতর্কতা

দক্ষিণ চীন সাগর ঘিরে উত্তেজনা আরো বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বিতর্কিত এলাকায় টহল দেওয়ার জন্য জাপান থেকে ফিলিপাইন পাঁচটি বিমান ভাড়া করার চুক্তি করেছে।

ফিলিপাইন ও জাপানের এই চুক্তি নিয়ে বৃহস্পতিবার সতর্কতা উচ্চারণ করেছে চীন।

দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে প্রতিবছর পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলার সমমূল্যের বাণিজ্য পণ্য সরবরাহ হয়। বাণিজ্যের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ জলসীমার মালিকানা মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ব্রুনাই, তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম দাবি করলেও পুরো জলসীমার মালিকানা দাবি করছে চীন। এরই মধ্যে সাগরে চীন কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করে সেখানে বিমান ওঠা-নামার জন্য রানওয়ে তৈরি করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করেছে তারা। এ অবস্থায় নিজেদের অধিকার আদায়ে ফিলিপাইনও বিমান ও নৌ শক্তিকে আধুনিকীকরণে মনোযোগী হয়েছে। এবার সেখানে তারা বিমানে টহল চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে জাপান থেকে তারা পাঁচটি টিসি-৯০ ট্রেনিং বিমান ভাড়া করেছে। ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট বেনিনো অ্যাকুইনো জানিয়েছেন, বিমানগুলো সাগর টহলে নৌবাহিনীকে সহায়তা করতে পারবে।

ফিলিপাইনের এই পদক্ষেপকে মেনে নিতে পারছে না চীন। এ ব্যাপারে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হং লেই বলেন, ‘যদি ফিলিপাইনের কর্মকাণ্ড চীনের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে তাহলে চীন তার জোরালো প্রতিবাদ জানাবে। সেই সঙ্গে আমি এটাও বলছি, দক্ষিণ চীন সাগর জাপানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় নয়। আমরা চাই জাপান এ বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করবে ও কথা বলবে। তারা এমন কিছু করবে না যাতে এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতি নষ্ট হয়। ’

বর্তমানে চীন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। অর্থনৈতিক শক্তিতে জাপানের অবস্থান তৃতীয়। রাজনৈতিক কারণে এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কটা মোটেও উষ্ণ নয়। পূর্ব চীন সাগরের দ্বীপ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে জটিলতা রয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স।


মন্তব্য