kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আইএলও প্রতিবেদন

নারীর অগ্রগতি ‘খুব সামান্য’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নারীর অগ্রগতি ‘খুব সামান্য’

বিশ্বজুড়ে গত ২০ বছরে নারী সমাজের উন্নতি ‘খুব সামান্য’ বলে উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে ঘিরে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

সারা বিশ্বে পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে আইএলও জানায়, ১৯৯৫ সালের পর থেকে কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সংখ্যায় পার্থক্য কমেছে মাত্র ০.৬ শতাংশ। যেসব দেশের নারীদের চাকরি পাওয়াটা খুব সহজ, সেসব জায়গার চাকরির মান প্রশ্নবিদ্ধ। নিজেদের জন্য শোভন একটা চাকরি পেতে নারীদের প্রচণ্ড চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সংস্থাটির প্রতিবেদনে এ ব্যাপারে বলা হয়, ‘কর্মজীবনের পুরোটাজুড়েই শোভন চাকরি অর্জনের চেষ্টায় নারীরা উল্লেখযোগ্য বাধার মুখোমুখি হতে থাকে। ’

১৭৮টি দেশে পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী ২০১৫ সালে কর্মক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারী ছিল ২৫.৫ শতাংশ কম। নারী-পুরুষের সংখ্যার এ পার্থক্য ২০ বছর আগের তুলনায় মাত্র ছয় শতাংশ কম। বিশ্বজুড়ে বেকার পুরুষের সংখ্যা সাড়ে ৫ শতাংশ আর নারী ৬.২ শতাংশ। উচ্চ ও নিম্ন উভয় আয়ের দেশে ঘরের কাজ ও বেতনবিহীন কাজে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে এখনো বৈষম্য বিদ্যমান। এখনো কর্মক্ষেত্রে নারীরা পুরুষের তুলনায় বেশি সময় ব্যয় করে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, নারীদের সামনে থাকা প্রতিবন্ধকতা দূর করার গতি ধীর। তাও আবার সেটা বিশ্বের কয়েকটি দেশেই সীমাবদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অডিট ও শুল্ক প্রতিষ্ঠা গ্র্যান্ট থর্নটন তাদের গবেষণা শেষে জানায়, বিশ্বজুড়ে গত পাঁচ বছরে কর্মক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ পদগুলোয় নারীর সংখ্যা মাত্র ৩ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জ্যেষ্ঠ পদে নারীকর্মীর সংখ্যার দিক থেকে রাশিয়া শীর্ষে। এরপর রয়েছে যথাক্রমে ফিলিপাইন ও লিথুয়ানিয়া। তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে জাপান। এখানকার ৭ শতাংশ নারী জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বে ভূমিকা রাখছে।

সূত্র : বিবিসি।


মন্তব্য