kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পাকিস্তানে আদালতে আত্মঘাতী বোমা হামলা নিহত ১৩

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



পাকিস্তানে আদালতে আত্মঘাতী বোমা হামলা নিহত ১৩

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি আদালত চত্বরে গতকাল সোমবার আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছে। পাকিস্তানি তালেবানের একটি অংশ জামাত-উল-আহরার বলেছে, মুমতাজ কাদরির ফাঁসি কার্যকরের প্রতিশোধ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।

পাকিস্তানের কঠোর ধর্ম অবমাননা নিরোধ (ব্লাসফেমি) আইনের সংস্কারের আহ্বান জানানোয় পাঞ্জাব প্রদেশের গভর্নর সালমান তাসিরকে ২০১১ সালে গুলি করে হত্যা করেন মুমতাজ। এর দায়ে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। তাসিরের দেহরক্ষী ছিলেন মুমতাজ।

পশতু ভাষাভাষী মোহমান্দ নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত শাবকদর শহরে চালানো গতকালের হামলায় নিহতদের মধ্যে দুই শিশু, চার নারী ও পুলিশের দুই সদস্য রয়েছেন। আহত হয়েছে ২৩ জন। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা ফায়াজ খানসহ স্থানীয় প্রশাসন হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। শাবকদর শহরটি রাজধানী ইসলামাবাদের ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।

জামাত-উল-আহরার মুখপাত্র এহসানুল্লাহ এহসান হামলার দায়ভার নিজেদের কাঁধে নিয়ে ই-মেইলে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিশেষভাবে মুমতাজ কাদরির ফাঁসির প্রতিশোধ হিসেবে হামলাটি চালানো হয়েছে। ’ তিনি দাবি করেন, আদালত দিন দিন ‘অনৈসলামিক আইন’ শক্তিশালী করছেন। এ কারণে আদালতকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আত্মঘাতী হামলাকারী আদালত ভবন লক্ষ্য করে বিস্ফোরণটি ঘটায়। সে আদালত চত্বরে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। তাকে থামানোর সঙ্গে সঙ্গেই সে বিস্ফোরণ ঘটায়।

২০০৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর হত্যাকাণ্ডের পর তাসিরকে হত্যার ঘটনাকে দেশটির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও আলোচিত বিষয়। তাসিরকে হত্যার পর মুমতাজ বলেন, ব্লাসফেমি আইন রদ করার পক্ষে কথা বলায় তিনি সালমান তাসিরকে হত্যা করেন। এ কারণে কট্টরপন্থীদের ব্যাপক সমর্থন পান মুমতাজ। তাঁর জানাজায় এক লাখ মানুষ শরিক হয়েছিল।

সূত্র : এএফপি, রয়টার্স।


মন্তব্য