kalerkantho


জালালাবাদে ভারতীয় কনস্যুলেট লক্ষ্য করে জঙ্গি হামলা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



জালালাবাদে ভারতীয় কনস্যুলেট লক্ষ্য করে জঙ্গি হামলা

আফগানিস্তানের জালালাবাদ শহরে ভারতীয় কনস্যুলেটকে লক্ষ্য করে গতকাল বুধবার হামলা চালানো সন্ত্রাসীদের সবাইকে গুলি করে হত্যা করেছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। আত্মঘাতী জঙ্গিদের চালানো ওই হামলায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছে।

তবে কনস্যুলেটের সবাই অক্ষত রয়েছে।

এর আগে জানুয়ারিতে আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাজার ই শরিফ শহরেও ভারতীয় কনস্যুলেটে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। এ ছাড়া জানুয়ারিতেই জালালাবাদের একই এলাকায় পাকিস্তানি কনস্যুলেটেও আত্মঘাতী হামলা চালায় জঙ্গিরা। ইসলামিক স্টেট (আইএস) ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল। এলাকাটিতে অনেক বিদেশি মিশন রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে কেউ হামলার দায়ভার নেয়নি।

রাজধানী কাবুলে ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে কুনারে আত্মঘাতী হামলায় বহু মানুষের হতাহত হওয়ার ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই এ হামলা চালানো হলো। এতে তালেবানের সঙ্গে থমকে পড়া শান্তি আলোচনা ফের শুরুর উদ্যোগ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ল।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কনস্যুলেটকে টার্গেট করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানকার সবাই নিরাপদে আছেন। ’ তাৎক্ষণিকভাবে কেউ এই হামলার দায়ভার নেয়নি।

কর্তৃপক্ষ জানায়, এক আত্মঘাতী হামলাকারী ভারতীয় কনস্যুলেটের কাছে একটি গাড়ি চালিয়ে নিয়ে এসে বিস্ফোরণ ঘটায়। এই গাড়িবোমা হামলায় কনস্যুলেট ভবন ও আশপাশের বাড়িঘরগুলোর দরজা-জানালা উড়ে যায় এবং অন্তত আটটি গাড়ি ধ্বংস হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এ সময় মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে এলাকাটি প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। আশপাশের লোকজন দৌড়ে পালাতে থাকে। নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত সাঁজোয়া নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে যায়।

নানগরহার প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র আতাহুল্লাহ খুজিয়ানি জানান, কনস্যুলেট চত্বরে ঢোকার আগেই চার হামলাকারীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তাদের লক্ষ্য ছিল ভারতীয় কনস্যুলেট, কিন্তু লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই আমাদের বাহিনীগুলো তাদের সবাইকে গুলি করে হত্যা করে। ’

নানগরহারের জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান নাজিবুল্লাহ কামাওয়াল জানান, হামলায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। রাজধানী জালালাবাদসহ নানগারহার প্রদেশে আইএসের উপস্থিতি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সূত্র : এএফপি, রয়টার্স।


মন্তব্য