kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পুলিশকে দিল্লি হাইকোর্ট

রাষ্ট্রদ্রোহ কী জানেন?

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



রাষ্ট্রদ্রোহ কাকে বলে সেটা কি আদৌ জানেন আপনারা? পুলিশকে কটাক্ষ করে এ প্রশ্ন রেখেছেন দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারের জামিন আবেদনের শুনানিকালে গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্ট পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন।

এ ব্যাপারে রায় দেওয়া আজ বুধবার পর্যন্ত স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি প্রতিভা রানি।

আদালত ঘটনার দিন পুলিশ জেএনইউ ক্যাম্পাসে উপস্থিত থেকেও কেন দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে কারো বিরুদ্ধে এফআইআর করেনি জানতে চেয়েছেন। সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ নিজে ভিডিও রেকর্ড করল না কেন? টেলিভিশন চ্যানেলের ভিডিও ফুটেজ দেখে কেন পুলিশকে কানহাইয়ার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ আনতে হলো? আদালতের এসব প্রশ্নের জবাবে পুলিশ স্বীকার করে নেয়, কানহাইয়া দেশবিরোধী স্লোগান দিচ্ছেন, এমন কোনো ভিডিও তাদের হাতে নেই। তবে বেশ কয়েকজন সাক্ষী কানহাইয়াকে স্লোগান দিতে দেখেছেন।

কানহাইয়ার আইনজীবী আদালতে জানান, কানহাইয়া দেশবিরোধী স্লোগান দেননি। জেএনইউ ক্যাম্পাসের মধ্যে মুখ ঢাকা কিছু লোক দেশবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিল। দিল্লি রাজ্যের আম-আদমি পার্টির সরকারের পক্ষের আইনজীবীও কানহাইয়াকে মুক্তি দেওয়ার আরজি জানান। দিল্লি পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অবশ্য যুক্তি দেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও বিলি হওয়া প্রচারপত্রই বুঝিয়ে দিচ্ছে, কানহাইয়া ও অন্য কয়েকজন দেশবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিল। আফজল গুরুর নামে পোস্টারও হাতে নিয়েছিল তারা। এদিকে দেশদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া আরো দুই ছাত্র উমর খালিদ ও অনির্বাণ ভট্টাচার্যের পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ আরো এক দিন বাড়িয়েছেন আদালত। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।


মন্তব্য