হতে পারে গিয়াঁ বারি সিনড্রোম-331072 | দেশে দেশে | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


জিকা ভাইরাস

হতে পারে গিয়াঁ বারি সিনড্রোম

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বিশ্ব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা জিকা ভাইরাসের সঙ্গে আরেকটি মারাত্মক রোগের সম্পর্ক উদ্ঘাটন করেছেন বিজ্ঞানীরা। ‘গিয়াঁ বারি সিনড্রোম’ নামের এই স্নায়বিক রোগের কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়। আক্রমণের তীব্রতা বেশি হলে রোগীর শ্বাসকষ্টও হতে পারে।

বিজ্ঞানীরা জিকা আক্রান্ত ৪২ জন রোগীর রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ‘গিয়াঁ বারি সিনড্রোম’ সম্পর্কে জোরালো তথ্য পেয়েছেন। তবে জিকার কারণেই এ রোগ হয় কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুই বছর আগে ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ায় মশাবাহিত জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিলে গবেষকরা তাদের রক্ত পরীক্ষা করেন। ল্যানচেট সাময়িকীর নিবন্ধে জানানো হয়, ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ছয় দিনের মাথায় ৪২ জনেরই স্নায়বিক সমস্যা দেখা দেয়। গবেষণার ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, জিকা সংক্রমিত প্রতি চার হাজার জনে একজন গিয়াঁ বারি সিনড্রোমে আক্রান্ত হতে পারে। ফলে জিকা ভাইরাসের কারণে মাইক্রোসেফালি তথা অপরিণত মস্তিষ্কের শিশুর জন্মের পাশাপাশি গিয়াঁ বারি রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যাপারে সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্ট গবষেণার নেতৃত্বে থাকা ফরাসি প্রতিষ্ঠান ইনস্তিতুত পাস্তুরের অধ্যাপক আরাঁদ ফনতানাঁ জানান, গিয়াঁ বারিতে আক্রান্ত রোগীর অবস্থার অবনতি হয় তুলনামূলক দ্রুত। কিন্তু তীব্রতা কাটিয়ে উঠতে পারলে ওই রোগীর অবস্থার উন্নতিও হয় বেশ দ্রুত। তিনি আরো জানান, গিয়াঁ বারিতে আক্রান্ত ৪২ জনের কেউই মারা যায়নি। তবে বেশ কয়েক মাস অসুস্থ থাকা ওই সব রোগীর হাঁটার জন্য এখনো সাহায্য দরকার হয়।

যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হাগ উইলসন জানান, জিকা সংক্রমণ ঘটলেই গিয়াঁ বারি সিনড্রোম হবে, এমন আতঙ্কের কারণ নেই। কারণ এ রোগের ঝুঁকি বাস্তবিকই খুব কম। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য