kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নির্বাচন এক সপ্তাহ এগোল

সু চির প্রেসিডেন্ট হওয়া অনিশ্চিত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সু চির প্রেসিডেন্ট হওয়া অনিশ্চিত

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এক সপ্তাহ এগিয়ে আনা হয়েছে। প্রথম ঘোষণায় আগামী ১৭ মার্চের কথা বলা হলেও এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১০ মার্চ।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে আসার মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে অং সান সু চির সমঝোতা ও এর ভিত্তিতে তাঁর প্রেসিডেন্ট পদ নিশ্চিত করার সময় আরো কমে এলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মিয়ানমারের পার্লামেন্টের মিলিত কক্ষের স্পিকার গতকাল মঙ্গলবার নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করেন। গত নভেম্বরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। কিন্তু জান্তা সরকারের আমলে প্রণীত সংবিধান অনুসারে তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারছেন না। সেখানে বলা হছে, কারো স্বামী বা স্ত্রী কিংবা সন্তান বিদেশি হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। বর্তমান পার্লামেন্টের এক-চতুর্থাংশ আসন দখল করে রাখা সেনাবাহিনী সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার ক্ষেত্রে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

এনএলডির মুখপাত্র ওয়েইন তেইন অবশ্য বিপরীত কথা বলছেন। তিনি বলেন, ‘অং সান সু চি অবশ্যই প্রেসিডেন্ট হবেন...সেটা আগে হোক বা পরে। ’ সু চি নিজে অবশ্য নির্বাচনে জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন, তিনি প্রেসিডেন্টের ওপরে থেকে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন।

বিশ্লেষকরা এত দিন বলছিলেন, সু চিকে প্রেসিডেন্ট হতে হলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে অস্বস্তিকর সমঝোতায় আসতে হবে। নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থনৈতিক উৎস অক্ষুণ্ন রাখার বিনিময়ে সু চির সঙ্গে সেনাবাহিনী সমঝোতায় আসতেও পারে। রাখাইন ও কাচিনের মতো স্পর্শকাতর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রিত্ব সেনাবাহিনীর হাতে ছেড়ে দেওয়ার মতো সমঝোতা তৈরি হয়েছে, কিছুদিন ধরে কানাঘুষা চলছিল। এ ক্ষেত্রে সু চির বিরুদ্ধে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে নীতির চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তবে এখন নির্বাচন এগিয়ে আনায় সু চির সঙ্গে সেনাবাহিনীর আদৌ কোনো সমঝোতা না হওয়ারই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। শেষমেশ সু চি তাঁর প্রতি অনুগত কাউকে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দেবেন। সূত্র : এএফপি, বিবিসি।


মন্তব্য