প্রতিবেশীরা কঠোর হওয়ায় শরণার্থীর-330646 | দেশে দেশে | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


প্রতিবেশীরা কঠোর হওয়ায় শরণার্থীর চাপে গ্রিস

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



প্রতিবেশীরা কঠোর হওয়ায় শরণার্থীর চাপে গ্রিস

গ্রিস-মেসিডোনিয়া সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া গতকাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে শরণার্থীরা। ছবি : এএফপি

বলকান অঞ্চলের কয়েকটি দেশসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একাধিক সদস্য দেশ কোটা নির্ধারণ ও সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করায় গ্রিসে শরণার্থীর চাপ বাড়ছে। মেসিডোনিয়া সীমান্ত লাগোয়া দেশটির ইদোমেনিতে এরই মধ্যে আটকা পড়েছে সাত হাজারের বেশি আশ্রয়প্রত্যাশী।

প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে স্বদেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়া এসব মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। গতকাল সোমবার তারা কাঁটাতারের বেড়া ভেঙে মেসিডোনিয়ায় ঢোকার মরিয়া চেষ্টা চালায়। মেসিডোনিয়ার পুলিশ তাদের ঠেকাতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।

উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল সতর্ক করে বলেছেন, গ্রিসকে ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দেওয়া’ ইউরোপের উচিত হবে না।

ইউরোপমুখী হাজার হাজার সিরীয় শরণার্থী ইউরোপে ঢুকতে মূলত প্রথমেই পা রাখছে গ্রিসে। সেখান থেকে বলকাল অঞ্চলের দেশগুলো পার হয়ে তারা জার্মানির মতো ধনী দেশগুলোতে যেতে চায়।

কিন্তু সম্প্রতি মেসিডোনিয়া ও সার্বিয়া ছাড়াও ইইউ সদস্য দেশ স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়া দৈনিক ৫৮০ জনের বেশি শরণার্থীকে তাদের ভূখণ্ডে ঢুকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে করে গ্রিসে অনেক শরণার্থী আটকা পড়ছে। 

শরণার্থী প্রবেশে প্রতিবেশী দেশগুলোর কঠোর অবস্থানে ক্ষুব্ধ গ্রিসের অভিবাসন মন্ত্রী ইয়ানিস মোজালেস জানান, তাঁদের দেশে বর্তমানে প্রায় ২২ হাজার শরণার্থী আটকা পড়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ‘আগামী মাসের মধ্যে এ সংখ্যা ৫০ থেকে ৭০ হাজারে গিয়ে ঠেকবে’ বলে জানান তিনি।

কানাডার প্রতিশ্রুতি পূরণ : কানাডা সরকার তাদের ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৫ হাজার সিরীয় শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই ওই শরণার্থীদের দেশে আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। লেবানন, জর্দান ও তুরস্কে আশ্রয় নেওয়া ২৫ হাজার সিরীয় শরণার্থীকে কানাডায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য