kalerkantho

দেশ পরিচিতি

২৯ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



দেশ পরিচিতি

কাবো ভেরদে

দ্বীপরাষ্ট্র কাবো ভেরদে। ১০টি আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। প্রাচীনকালে একে ‘সৌভাগ্যের দ্বীপপুঞ্জ’ অভিহিত করা হতো। পশ্চিম আফ্রিকার কাবো ভেরদে উপদ্বীপ থেকে ৫৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে এর অবস্থান। পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত এ দ্বীপপুঞ্জ ছিল জনমানবশূন্য। এতে প্রথম পা রাখে পর্তুগিজরা। এখানে তারা উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করে। এটাই ছিল এ অঞ্চলে ইউরোপের প্রথম উপনিবেশ। দাস ব্যবসার জন্য এটি ছিল আদর্শ স্থান। দ্বীপগুলো ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে প্রভূত সমৃদ্ধি অর্জন করে। এ কারণে এখানে যেমন ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বাড়ে, তেমনি বাড়ে জলদস্যুদের তত্পরতাও। উনবিংশ শদাব্দীতে এসে দাস ব্যবসার পতন ঘটলে দ্বীপগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থাও পড়তে শুরু করে। পরে অবশ্য এটি জাহাজ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫১ সালে এটিকে বৈদেশিক দপ্তর হিসেবে ঘোষণা করে পর্তুগাল। ওই সময় থেকেই স্বাধীনতার দাবি দানা বাঁধতে থাকে। ১৯৭৫ সালে শান্তিপূর্ণভাবে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। প্রাকৃতিক সম্পদ না থাকায় তাদের অর্থনৈতিক তত্পরতা মূলত সেবাকেন্দ্রিক। পর্যটনের কারণে অর্থনৈতিকভাবে তারা অনেকটাই এগিয়ে। বৈদেশিক বিনিয়োগও কম নয়।

 

একনজরে

পুরো নাম : কাবো ভেরদে প্রজাতন্ত্র।

রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর : প্রাইয়া।

দাপ্তরিক ভাষা : পর্তুগিজ।

স্বীকৃত জাতীয় ভাষা : কাবো ভেরদিয়ান ক্রেওলে।

সরকার পদ্ধতি : ইউনিটারি সেমি প্রেসিডেনশিয়াল রিপাবলিক।

প্রেসিডেন্ট : জর্জ কার্লোস ফনসেকা।

আইনসভা : ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।

আবিষ্কার : ১৪৬০ সাল।

পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা : ৫ জুলাই ১৯৭৫।

আয়তন : চার হাজার ৩৩ বর্গকিলোমিটার।

জনসংখ্যা : পাঁচ লাখ ৩৯ হাজার ৫৬০ জন।

জিডিপি : মোট ৩.৬৪৯ বিলিয়ন ডলার, মাথাপিছু : ছয় হাজার ৮৬৭ ডলার।

মুদ্রা : কাবো ভেরদিয়ান এসকুদো।

জাতিসংঘে যোগদান : ১৯৭৫ সাল।



মন্তব্য