kalerkantho

দেশ পরিচিতি

১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



দেশ পরিচিতি

সিয়েরা লিওন

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন। উত্তর সীমান্তে গিনি, দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে লাইবেরিয়া এবং দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের দিকে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।

সিয়েরা লিওন খনিজ সম্পদের ওপর নিভর্রশীল, বিশেষ করে হীরা। এটি অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি। এ ছাড়া রয়েছে সোনা, টাইটানিয়াম ও বক্সাইট। দেশটিতে রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক পোতাশ্রয়। এত প্রাকৃতিক সম্পদ থাকার পরও দেশটির ৭০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে।

১৯৬১ সালে সিয়েরা লিওন স্বাধীনতা অর্জন করে। সরকারের দুর্নীতি ও প্রাকৃতিক সম্পদের অব্যবস্থাপনার ফলে গৃহযুদ্ধ হয় (১৯৯১-২০০২)। প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশে ধ্বংসযজ্ঞ চলে। এ যুদ্ধে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। ২০ লাখ মানুষ প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়।

২০১৪ সালে এবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সিয়েরা লিওনের দুর্বল স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো প্রায় ভেঙে পড়ে। এতে বহু মানুষ মারা যায়। এটি একটি মানবিক সংকট সৃষ্টি করে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত করে। দেশটির মানুষের গড় আয়ু ৫৭.৮ বছর।

 

একনজরে

পুরো নাম : সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র।

রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর : ফ্রিটাউন।

দাপ্তরিক ভাষা : ইংরেজি।

উল্লেখযোগ্য জাতিগোষ্ঠী : টেমনে ৩৫ শতাংশ, মেন্ডে ৩১ শতাংশ, ফুলানি ১২ শতাংশ, লিম্বা ৮ শতাংশ।

সরকার পদ্ধতি : ইউনিটারি প্রেসিডেনশিয়াল কনস্টিটিউশনাল রিপাবলিক।

প্রেসিডেন্ট : আর্নেস্ট বাই করোমা।

আইনসভা : পার্লামেন্ট।

আয়তন : ৭১ হাজার ৭৪০ বর্গকিলোমিটার।

জনসংখ্যা : ৭০ লাখ ৭৫ হাজার ৬৪১।

ঘনত্ব : প্রতিবর্গকিলোমিটারে ৭৯.৪ জন।

জিডিপি : মোট ১২.৩৫৭ বিলিয়ন ডলার, মাথাপিছু এক হাজার ৮৪৮ ডলার।

মুদ্রা : লিওন।

জাতিসংঘে যোগদান : ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬১।



মন্তব্য