kalerkantho

টিফিন আওয়ার

স্টিভ জবস স্কুল

ব্যতিক্রমী স্কুল নেদারল্যান্ডসের স্টিভ জবস স্কুল। বিস্তারিত জানাচ্ছেন অমর্ত্য গালিব চৌধুরী

১৮ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



স্টিভ জবস স্কুল

কোনো স্কুলের নাম যদি হয় স্টিভ জবস স্কুল, তবে এটা আঁচ করা কঠিন নয় যে ওই স্কুলের পড়াশোনার কায়দা-কানুন কিছুটা ভিন্ন হবে। অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা জবস বরাবরই শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতেন। এই স্কুল কিংবা স্কুলগুলোতেও তাই ঘটেছে।

স্টিভ জবস স্কুলের প্রত্যেক শিক্ষার্থী কী কী বিষয়ে শিখতে হবে, সেটা নিয়ে নিজেই পরিকল্পনা করে। এর পর সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে পড়াশোনায় সাহায্য করে স্কুলের কোচ (শিক্ষকদের এই নাম দেওয়া হয়েছে) ও মা-বাবারা। প্রতি ছয় সপ্তাহ পর পর রীতিমতো আয়োজন করে দেখা হয় পরিকল্পনা অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রীর কতটুকু উন্নতি হয়েছে। অবশ্য শিক্ষার্থীরা একেবারে যা খুশি তা-ই শিখতে পারে না। স্কুলের একটা নিজস্ব তালিকা থেকে তাদের বিষয়াদি বেছে নিতে হয়। যেমন—ভাষা শিক্ষা, গণিত, শারীরিক কসরত, প্রযুক্তিগত বিদ্যা বা অন্যান্য। প্রতিটি বিষয়ের জন্য একটা নির্দিষ্ট কামরা ঠিক করা থাকে। সেখানেই পড়াশোনা চলে। বিশেষ একটি অ্যাপ ব্যবহার করে মা-বাবা বা শিক্ষকরা বাচ্চাদের সারা দিনের কর্মকাণ্ড বা পড়াশোনার খোঁজখবর নিতে পারেন।

এখন অবশ্য নেদারল্যান্ডসে এমন ধারার বেশ কয়েকটি স্কুল তৈরি হয়েছে। সবগুলোর নাম ওই স্টিভ জবস স্কুল। এখানে পড়াশোনা হয় আইপ্যাডে। এতে সুবিধা হলো, স্কুল ছুটি হয়ে গেলেও ২৪ ঘণ্টাই শিক্ষক, অভিভাবক আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ থাকছে।

কয়েক বছর হলো এই নতুন ধারার স্কুলের সূচনা করে নেদারল্যান্ডসের সরকার। আমস্টারডামের পাশাপাশি এই স্কুল আছে ব্রেদা, আলমেরে, এম্মেন প্রভৃতি স্থানে। সামনে এ ধরনের আরো স্কুল খোলার পরিকল্পনা রয়েছে, এতে বিদেশে থাকা ডাচ্ পরিবারগুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনাও আছে। ডাচ্ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব আবশ্যিক বিষয়ই এই স্কুলের পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।



মন্তব্য