kalerkantho


সবার চেষ্টায় প্রচেষ্টা স্কুল

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়েছে একটি অলাভজনক সংগঠন প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠা করেছে প্রচেষ্টা স্কুল। শুধু পড়াশোনা নয়, ছাত্র-ছাত্রীদের আরো নানা ধরনের সাহায্য দিয়ে থাকে তারা। বিস্তারিত জানাচ্ছেন আফরা নাওমী

১৬ মে, ২০১৮ ০০:০০



সবার চেষ্টায় প্রচেষ্টা স্কুল

বেগুনবাড়ীর স্কুলে একদিন

 

গলির মুখে ঢুকতেই হৈচৈ শোনা গেল। সরু গলির মধ্যে একটা দালানে অফিস ও ক্লাসরুম। ক্লাসরুমের সামনে দাঁড়িয়ে গল্পে মশগুল নেভি ব্লু রঙের স্কুল ড্রেস পরা খুদে শিশুরা। কিছুক্ষণ বাদেই নীরব হয়ে গেল চারপাশ। কারণ পরীক্ষা শুরু। তেজগাঁওয়ের উত্তর বেগুনবাড়ীতে অবস্থিত প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের এই ‘প্রচেষ্টা স্কুল’।

দুটি ক্লাসরুমে স্কুল ইউনিফর্ম পরে পরিপাটি হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছে ছেলে-মেয়েরা। আজ প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অঙ্ক পরীক্ষা। তারা এখন ব্যস্ত, তাই কথা বলছিলাম তাদের শিক্ষক নুসরাত বুশরা, মারুফা আক্তার ইতি ও রিনার সঙ্গে। নুসরাত ইংরেজি ও বিজ্ঞান ক্লাস নেন। ইতি পড়ান সমাজ ও বাংলা ক্লাস, রিনার বিষয় গণিত ও ধর্ম। সকাল ৯ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এখানে শিশু থেকে চতুর্থ শ্রেণির বাচ্চাদের ক্লাস নেন তাঁরা। তাঁদের এখানে শিক্ষকতা করার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলাম। ইতি বলেন, ‘আমি এর আগে কখনো শিক্ষকতা করিনি। এখানকার বাচ্চাদের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে তাই অসুবিধাই হয়েছিল। কিন্তু এখন, ওদের এতটাই আপন করে নিয়েছি যে ছেড়ে যেতে হলে খুবই কষ্ট লাগবে।’ নুসরাতের মতে, ‘এদের প্রত্যেকেই আমার সন্তানের মতো। আমি এখানকার শিশুদের আমার সবটুকু দিয়ে মানুষ করছি, যাতে অন্য সুবিধাভোগী বাচ্চাদের সঙ্গে ওদের বিন্দুমাত্র তফাত না থাকে।’ রিনা ওই মুহূর্তে ব্যস্ত পরীক্ষার গার্ড দিতে। নুসরাতের কাছে শুনি একটি ছাত্রীর বিষাদময় জীবনের গল্প। বললেন, টিয়ার বাবার দুই স্ত্রী। প্রথম ঘরে দুই মেয়ে। ছেলের আশায় দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন। কিন্তু এবারও মেয়েই জন্ম নিল। বাসায় দিন-রাত অত্যাচার-চেঁচামেচি, নির্যাতন চলে। এ ঘরেরই সন্তান টিয়া। ছোট্ট মেয়েটার পড়ালেখায় খুব আগ্রহ। প্রচেষ্টা স্কুলের খবর পেয়ে ভর্তি হতে ছুটে আসে। তার এই ছোট্ট জীবনের দুর্বিষহ ঘটনা শুনে মন খারাপ হয়ে যায় সবার। মেয়েটির বাবা ওর জন্য কোনো খরচই দিতে নারাজ। এ অবস্থায় কী করা যায় ভেবে পাচ্ছিল না প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের স্কুল কর্তৃপক্ষ। কোনো ডোনারেরও সন্ধান ছিল না। পরে শিক্ষক নুসরাত বুশরাই ওর ডোনার হয়ে যান। টিয়ার কথা বলতে গিয়ে চোখে পানি ছলছল করছিল নুসরাতের। তিনি বলেন, ‘টিয়া মাত্র শিশু শ্রেণিতে পড়ে। কিন্তু সে তার ছোট বোনের দেখাশোনা করে এই বয়সে। খাওয়ায়, ঘুম পাড়ায়, নিজেও পড়াশোনা করে। এটুকু বাচ্চা এই বয়সে কত বড় হয়ে গেছে ভেবে দেখেছেন?’

এসব আলাপচারিতার মধ্যেই স্কুলটা ঘুরে দেখতে থাকি। একজন পরীক্ষার্থী হল থেকে বেরিয়ে আসে। নাম জ্যোত্স্না। পড়ছে তৃতীয় শ্রেণিতে। শিশু শ্রেণি থেকেই এখানে পড়াশোনা করছে সে। পরীক্ষা কেমন হয়েছে জানতে চাইলে ‘প্রশ্ন সিলেবাসের বাইরে থেকে এসেছে। কিন্তু পরীক্ষা ভালো হয়েছে’ বলে হেসে দিল। জ্যোত্স্না বড় হয়ে শিক্ষক হতে চায়। কিছুক্ষণ বাদেই পরীক্ষা দিয়ে উপস্থিত হলো জেসমিন। এ বছরই এই স্কুলে ভর্তি হয়েছে। স্কুলটি খুবই পছন্দ হয়েছে তার। কারণ এখানে পাঠাগার থেকে গল্প ও কবিতার বই বাসায় নিয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। এরপর হৈচৈ করতে করতে বের হলো দস্যি ছেলের দল। হাবিব, মাইমুন, তাহেরসহ আরো অনেকে। বই পড়তে একটুও ভালো লাগে না, কিন্তু ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসে মাইমুন। শাহীন বড় হয়ে পুলিশ হতে চায়। তারপর দেশের সব সন্ত্রাস দূর করবে। ওই সময় সবাই একসঙ্গে বলে ওঠে, ‘তাহের আমাদের ক্লাসের সবচেয়ে দুষ্টু ছেলে। লাইট অফ করে তাহের আমাদের ভয় দেখায়, ভূতের গল্প শোনায়, এমনকি রাস্তায়ও ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়।’ তাহের তখন একেবারে চুপ।

পরীক্ষা শেষে আনন্দ করছে সবাই। তাদের কাছে জানতে চাই, স্কুলে সবচেয়ে ভালো লাগে কী। সবার একসঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত উত্তর, ‘বৃহস্পতিবার আমাদের হাফ ক্লাস হয়, তাই ওই দিন সবার খুব প্রিয়। সেদিন আমরা কবিতা পড়ি, নাচ-গান করি, নাটক দেখি, মুক্তিযুদ্ধের সিনেমাও দেখি।’

এত আনন্দের পাশাপাশি তাদের কিছুটা আক্ষেপও রয়েছে। স্কুলটি যে একটু ভেতরের দিকে, আর বর্ষায় স্কুলের সামনের রাস্তায় পানি উঠে যায়।

 

আছে আরেকটি শাখা

স্কুলের আরেকটি শাখা রয়েছে তেজগাঁও রেললাইনের ধারের বাউলবাগে। সেখানে বস্তির তিনটি রুমে ক্লাস নেন দুইজন শিক্ষক। এই এলাকার দৃশ্য একটু করুণ। ছেলে-মেয়েরা খুব দ্রুতই ঝরে পড়ে। ‘প্রথমে আমরা ভর্তি নিয়েছিলাম ৬০ জন ছেলে-মেয়েকে। বছর শেষে বার্ষিক পরীক্ষায় বসে ৩৫ জন। আসলে ওখানে ছাত্র-ছাত্রী ধরে রাখা যায় না। তারা দিন আনে দিন খায় পরিবার। তাদের ইচ্ছা, ছেলে-মেয়ে কাজ করে টাকা রোজগার করবে। পড়ানোর কথা তারা কল্পনায়ও আনে না’—বললেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ইকরাম উদ্দিন আবির।

আবার সফলতার কিছু গল্পও আছে। চতুর্থ শ্রেণিপড়ুয়া তানজিলার বাল্যবিয়ে দিতে যাচ্ছিল তার পরিবার। অভাবের সংসারে তাকে খাওয়ানো-পরানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। এই যখন পরিস্থিতি, তখন তানজিলার পরিবারকে প্রচেষ্টা স্কুল একটি দোকান করে দিয়ে সমস্যার সমাধান দেয়। এতে পরিবারটির সচ্ছলতাও আসে, মেয়েটির পড়াশোনাও চলতে থাকে।

ওই বস্তিতে বসবাসরত আরেক শিশু ফাতেমা। স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। কিছুদিন বাদে তার আর খবর নেই। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সে আর লেখাপড়া করবে না। সংসারে অভাবের কারণে মা-বাবা তাকে কাজে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। তখন প্রচেষ্টা স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিবারটিকে শাড়ি কাপড়ের একটি ব্যবসার ব্যবস্থা করে দেয় এবং শর্ত দেয়, ফাতেমাকে তারা কোনো ধরনের কাজ করতে দিতে পারবে না। ওই শর্ত মেনে তারা নিজেরা ব্যবসা করছে এবং ফাতেমাও এখন লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারছে।

 

যেভাবে শুরু হলো

এত চমত্কার একটা উদ্যোগের শুরু কিভাবে, তা জানতে চাইলাম উদ্যোক্তা ইকরাম উদ্দিন আবিরের কাছে।

‘২০১১ সাল। তখন আদমশুমারি চলছে। বাবার এক পরিচিত লোক বললেন তাঁকে ৫০ জন কর্মঠ ছেলে-মেয়ে জোগাড় করে দিতে, যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে আদমশুমারির কাজটা করবে। ব্যবস্থা করে দিলাম। সবার মধ্যে যখন কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, তখন দেখা গেল বস্তিতে আদমশুমারির কাজ করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। শেষমেশ আমার ঘাড়েই পড়ল সে দায়িত্ব। তেজগাঁওয়ের বস্তিগুলোতে ঘুরে ঘুরে আমার মাথায় যেন বাজ পড়ল। সেখানে  বাচ্চাদের না আছে কোনো বেড়ে ওঠার পরিবেশ, না আছে শিক্ষা। অন্তত নৈতিক ও মৌলিক শিক্ষাটুকু পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই আমার এই যাত্রার শুরু।’ বললেন আবির। তবে ২০১১ সালে তিনি মাত্রই আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন, তাই তখনই সাহস ও উদ্যোগ নিতে পারেননি। তবে মনে মনে দৃঢ় সংকল্প ছিল। ২০১৩ সালে তাঁর স্বপ্নটি বাস্তবায়নের সুযোগ হয়। সঙ্গে ছিল সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া আরো কয়েকজন—শরিফুল ইসলাম খান, জাহাঙ্গীর আলম, ইসমাইল হোসেন ও আওলাদ হোসেন। ‘প্রচেষ্টা স্কুল’ নামকরণ করেন শরিফুল ইসলাম খান। সব বাধা ডিঙিয়ে বাড়ির ছাদে মাত্র ১১ জন ছেলে-মেয়ে নিয়ে চালু করেন প্রচেষ্টা স্কুল। ওই সংখ্যা এক সপ্তাহে পৌঁছে যায় এক শতে। তাঁরা পাঁচজনই ক্লাস নেওয়া শুরু করেন। বই, খাতা, রংপেনসিল, টিফিনসহ সবই তাঁরা সরবরাহ করতেন। প্রথম এক বছর এলাকার বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, আত্মীয়, পরিচিত লোকজন ও নিজেদের টাকায় চলতে থাকে। ২০১৪ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে তাঁরা স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান করেন। প্রচুর সাড়া পান। এরপর সেই স্বেচ্ছাসেবক দলের অনুদান দিয়েই তহবিল গঠন করা হয়। এদিকে বাড়তে থাকে তাঁদের ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা। উদ্যোগটি প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন সবাই। আর স্কুলটিকে বিবেচনা করা হলো ফাউন্ডেশনের একটি প্রজেক্ট হিসেবে। সবার উৎসাহে ও সাহায্যে চালু করেন স্কুলের দ্বিতীয় শাখা, তেজগাঁও রেলস্টেশনের পাশে বাউলবাগে। শিশু শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস করান। পড়াশোনা হয় শিক্ষা বোর্ডের নিয়মেই। চতুর্থ শ্রেণির পর তাদের ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠিত কোনো স্কুলে। তাদের খরচ প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনই বহন করছে। ২০১৫ সালের দিকে তাঁরা প্রত্যেক ছেলে-মেয়ের জন্য ডোনারের সিস্টেম চালু করেন। অর্থাৎ প্রত্যেক শিশুর খরচ বহন করবেন একেকজন ব্যক্তি। খরচ কিন্তু খুব বেশি নয়, মাসে মাত্র ৮০০ টাকা, বছরে ৯ হাজার ৬০০ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে সেই শিশুটির পুরো বছরের বই-খাতা, পেনসিল-কলম, স্কুলব্যাগ, স্কুল ড্রেস, জুতা ইত্যাদির খরচ। বর্তমানে দুটি শাখা মিলিয়ে তাঁদের ১৯০ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে এবং প্রায় সবার জন্যই ডোনার আছে। বছরে এক দিন ডোনারদের সঙ্গে ছেলে-মেয়েদের সাক্ষাৎ করানোর ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া তাদের জন্য বই পড়ার ছোট্ট পাঠাগার আছে, ঘুরতে নিয়ে যাওয়া হয় বিশেষ দিনগুলোতে, রয়েছে শিক্ষা সফরের ব্যবস্থা। এ ছাড়া রোজার সময় ইফতারের আয়োজন, ঈদের নতুন জামা-কাপড় দিয়ে উদ্যাপন করা হয় ‘প্রচেষ্টা ঈদ উৎসব’। তারা যেন আর সব শিশুর মতো সব সুবিধা পায়, সেদিকে নজর রেখেই এত সব আয়োজন।

 

অনেকের প্রচেষ্টার ফসল

এই যাত্রায় অনেক মানুষের সহায়তা পেয়েছেন। পেয়েছেন মানুষের উৎসাহ ও ভালোবাসা। উল্লেখযোগ্য একজন হচ্ছেন আরিফ আর হোসেন। শুরু থেকেই তিনি প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে তিনি ফাউন্ডেশনটির উপদেষ্টা পদে আছেন। তিনি বিভিন্ন রকম আইডিয়া দিয়ে, তহবিল দিয়ে, তাঁর নিজস্ব নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন। তাঁর আইডিয়া ও সহায়তায়ই ফুড ব্যাংকিং প্রজেক্টটি চালু করা হয়। আরো একজন, যিনি সব সময় পরামর্শ দিয়ে তাঁদের পাশে ছিলেন এবং আছেন, তিনি তানজিল শরীফ। তিনি মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যবিদ্যার শিক্ষক। দেশে এলে একবার হলেও স্কুলের বাচ্চাদের সঙ্গে দেখা করে যান। এ ছাড়া আরো অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছেন, যাঁদের কাছে এই প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন চিরকৃতজ্ঞ।

 

আরো উদ্যোগ

এই ফাউন্ডেশনের স্কুল প্রজেক্টটির পাশাপাশি আছে আরো ফুড ব্যাংকিং ও ব্লাড ব্যাংকিং। ২০১৫ সালে ‘প্রচেষ্টা ব্ল্যাড ব্যাংক’ প্রজেক্টটি তাঁরা হাতে নেন। এখানে প্রায় ২০ হাজারের মতো রক্তদাতার তথ্য আছে। কারো রক্তের প্রয়োজনে রক্তদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবে এই ব্লাড ব্যাংক। ২০১৬ সালে তাঁদের আরেকটি অন্যতম প্রজেক্ট ‘প্রচেষ্টা ফুড ব্যাংকিং’। এর মাধ্যমে তাঁরা বিয়েবাড়ি, জন্মদিন, মিলাদ ইত্যাদি অনুষ্ঠানের বাড়তি খাবারের খবর পাওয়া মাত্রই ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে সংগ্রহ করে ক্ষুধার্তদের মধ্যে বিলিয়ে দেন। এভাবে এ পর্যন্ত ২০০ বারের বেশি খাবার সংগ্রহ ও বিতরণ করেছে তারা। সাধারণত কেউ খাবার দিতে চাইলে তারাই ওয়েবসাইট বা ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে। প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটের ঠিকানা www.prochestabd.com|



মন্তব্য