kalerkantho


টিফিন আওয়ার

সম্পাদকের চেয়ারে খুদে রক্সি

রেকর্ড মানে না বয়স। রোক্সান ওরফে রক্সির কাছেও ৮ নিছক একটি সংখ্যা মাত্র। এরই মধ্যে একটি ম্যাগাজিনের সম্পাদক বনে গেছে! নাম লিখিয়েছে রেকর্ডের বইতেও। রক্সির গল্পটা জানাচ্ছেন ফয়সল আবদুল্লাহ

৭ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



সম্পাদকের চেয়ারে খুদে রক্সি

খেলার ছলে কেউ সাজে ডাক্তার, কেউ পাইলট। আট বছর বয়সী রোক্সানের খেলাটাই ছিল শিশুদের ম্যাগাজিন পড়া আর লেখা। বন্ধুদের কী পড়তে ভালো লাগে, ওরা কী কী মজা করে এসব তার জানা ছিল। আর সেই জানা-ই তাকে বানিয়ে দিল এক অন্য জগতের তারকা। বনে গেল আস্ত একটা ম্যাগাজিনের সম্পাদক। এক-দুদিন বা সপ্তাহ নয়, টানা ছয় মাস ধরেই ও অস্ট্রেলিয়ার মেয়েশিশুদের জন্য প্রকাশিত ‘ইট গার্ল’ নামের ম্যাগাজিনটির সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছে।

সম্পাদকের চেয়ারে বসে অফিসে কী কী করছে রোক্সান? অস্ট্রেলিয়ার নিউজ ডট কম ডট এইউ সাইটের প্রতিবেদনে জানা গেল, প্রতিটি সংখ্যার জন্য নতুন নতুন ফিচার আইডিয়া, কুইজ, প্রচ্ছদ এসব পরিকল্পনা করে ও। সোজা চলে যায় বন্ধুদের কাছে। তারা কী পড়তে চায়, কেমন প্রচ্ছদ দেখতে চায়, সব জেনে তার পরই লেখকদের সঙ্গে মিটিংয়ে বসে। কাজটা চলে স্কুলের পড়ার ফাঁকে ফাঁকেই। কারণ পড়াশোনা তো আর বাদ রাখা চলে না। এ জন্য বাদবাকি অফিশিয়াল দায়দায়িত্ব সেরে নেন ইট গার্লের প্রকাশক নাতাশা আমালোস। রক্সির কাজের ধরনের কথা জানিয়ে নাতাশা বললেন, ‘স্কুলের খেলার মাঠে এক ঘণ্টা কাটালেই বোঝা যাবে কোন বিষয়টা নিয়ে শোরগোল উঠতে যাচ্ছে।’

কিন্তু এত কিছু থাকতে সম্পাদক কেন? রক্সির উত্তর— ‘আমি সব সময়ই সমবয়সীদের তুলনায় বড় কিছু হতে চেয়েছি। আমি নিজে এখনো বাচ্চা। আর ম্যাগাজিনটা তো আমাদের জন্যই। আমি জানি আমার মতো ছোটরা কী ভালোবাসে আর তাদের জন্য কোনটা ভালো হবে।’

‘রক্সির সম্পাদক হওয়াটা ঠিক রেকর্ড গড়ার উদ্দেশ্যে ছিল না। ও স্কুলে সেরা ছাত্রী। আর ম্যাগাজিনটাও তার মতো একজনকেই খুঁজছিল। এ কারণেই ও সুযোগটা পেয়েছে।’ বললেন রক্সির বাবা মাইকেল ডাউন্স। রক্সির সম্পাদনায় ইট গার্ল প্রথম বাজারে আসে ২০১৭ সালের এপ্রিলে। ওই দিনই গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে উঠে যায় তার নাম।



মন্তব্য