kalerkantho


উচ্চশিক্ষা বিস্তারে

বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার কারিগর ডিআইইউ

এ দেশের প্রথম দিকের বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন ভালো ভালো বিষয়ে পড়ালেখা করছেন ছাত্র-ছাত্রীরা, তেমনি অনন্য সব সুবিধাও আছে এখানে। আছে ৩১টি গবেষণাগার। বিশ্ববিদ্যালয়টি নিয়ে এবারের বিশেষ আয়োজন। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার আজাদ হোসেন। প্রধান ফিচারে আছে বিশেষায়িত কয়েকটি বিভাগের গল্প এবং সেগুলোর নানা সুবিধা

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০




বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার কারিগর ডিআইইউ

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ
১৯৯৬ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসসি) বিভাগ চালু হয়। এখানে প্রায় দুই হাজার ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করছেন।

এর আগে প্রায় দুই হাজার ৩০০ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। তাঁরা এখন দেশ-বিদেশের নামিদামি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে চাকরি করছেন। কয়েকজন সাবেক ছাত্র-ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, পেশাগত জীবনে তাঁদের এই সাফল্যের পেছনে ডিআইইউর সিএসসি বিভাগের অনেক ভূমিকা আছে। বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা গর্ব করে বললেন, আমাদের বিভাগে অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি আছে। ক্লাসরুমেও মাল্টিমিডিয়া সুবিধা রয়েছে। তাঁরা আরো বললেন, তাঁদের আটটি বিশাল ল্যাবরেটরি আছে। সেগুলোতে প্রায় ৩০০ অত্যাধুনিক কম্পিউটার আছে। সব কম্পিউটারেই দ্রুতগতির ইন্টারনেট রয়েছে। পুরো ক্যাম্পাসেই ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা। এই বিভাগে তিনটি কোর্সে ছাত্র-ছাত্রীরা লেখাপড়া করে বলে জানালেন বিভাগের শিক্ষকরা। সেগুলো হলো—কম্পিউটার সায়েন্সে চার বছরের অনার্স কোর্স ‘বিএসসি ইন সিএসসি (দিবা অথবা সান্ধ্যকালীন)’, ‘এমএসসি ইন সিএসসি’ ও ‘মাস্টার্স অব কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন’। এ ছাড়া বিভাগের অধীনে চাকরির বাজারের জন্য খুবই চাহিদাসম্পন্ন চারটি স্বল্পমেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স পরিচালনা করা হয়। সেগুলো হলো, ‘ওয়েব ডিজাইন’, ‘অ্যানড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট’, ‘নেটওয়ার্কিং’ ও ‘ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট’।

ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইটিই) বিভাগ
প্রায় এক যুগ ধরে চলা এই কোর্স অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) পড়ানো হচ্ছে। এই বিভাগে প্রায় ৮০০ দেশি-বিদেশি ছাত্র-ছাত্রী আছেন। বিভাগের সাবেক ছাত্র-ছাত্রীরা দেশ-বিদেশের টেলিকমিউনিকেশন খাতে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার সুবিধার জন্য ইইটিই বিভাগে দিবা ও সান্ধ্যকালীন শাখা চালু করা হয়েছে। যাতে অন্য কাজ করেও রাতে তাঁরা এখানে পড়তে পারেন। কোর্স দুটি হলো—‘বিএসসি (অনার্স) ইন ইইটিই (দিবা)’ ও ‘বিএসসি (অনার্স) ইন ইইটিই (সান্ধ্যকালীন)’। এই বিভাগে পড়তে এসে তাঁরা নানা ধরনের সুবিধা লাভ করেন। তাঁদের জন্য আছে ১০টি অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ‘মেশিন ল্যাবরেটরি’, ‘কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি’, ‘সিমুলেশন ল্যাবরেটরি’, ‘মাইক্রোপ্রসেসর ল্যাবরেটরি’, ‘টেলিকমিউনিকেশন ল্যাবরেটরি’ ও ‘সার্কিট ল্যাবরেটরি’। এই গবেষণাগারগুলো বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত অধ্যাপকরা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁরাই এগুলো পরিচালনা করেন। আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আছে কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স। সেগুলো হলো—‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন’, ‘পিএলসি বেজড ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন’ ও ‘রোবোটিকস’।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতেই এখন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বা পুরকৌশল বিভাগের গুরুত্ব বেড়েছে। এই বিভাগে পড়ালেখা করা ছাত্র-ছাত্রীদের চাকরির বাজারও খুব বিস্তৃত। তাঁরা ভবন, বাড়ি, সেতু ইত্যাদির নকশা তৈরি করেন, নির্মাণকাজের নেপথ্যের কারিগর হিসেবে কাজ করেন এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণেও তাঁদের ভূমিকা অসীম। এই চাহিদাসম্পন্ন বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা যেন ভালোভাবে পড়ালেখা করতে পারেন, সে জন্য ‘ডিআইইউ’তে আছে দিবা ও সান্ধ্যকালীন ‘বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং’ কোর্স। এই বিষয়ে তাঁদের আরো উন্নত ও সমৃদ্ধ জ্ঞান লাভের জন্য আছে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, ‘ম্যাটারিয়ালস ল্যাবরেটরি’, ‘ফ্লুড ল্যাবরেটরি’, ‘জিইও টেকনিক্যাল ল্যাবরেটরি’, ‘ট্রান্সপোর্টেশন ল্যাবরেটরি’, ‘সলিড মেকানিকস ল্যাবরেটরি’, ‘সার্ভেয়িং ল্যাবরেটরি’, ‘কম্পিউটার ল্যাবরেটরি’, ‘ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস ল্যাবরেটরি’, ‘রসায়ন গবেষণাগার’। তাঁদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান ল্যাব ও পরিবেশ গবেষণাগারও স্থাপন করা হয়েছে। এসব গবেষণাগারে হাতে-কলমে কাজ ও ভালো শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে লেখাপড়া করে তাঁরা মানসম্পন্ন, যোগ্য ও পরিপূর্ণ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবেন। এই বিভাগের সাবেক ছাত্র-ছাত্রীরা বিদেশেও সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। এখানে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করছেন। বিভাগের অধীনে কয়েকটি স্বল্পমেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্সও প্রদান করা হয়। সেগুলো হলো—‘ইটিএবিএস’, ‘অটোক্যাড (টুডি, থ্রিডি)’ ও ‘এসটিএএডি প্রো শর্ট সার্টিফিকেট কোর্স’।

আইন বিভাগ
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম সেরা আইন বিভাগটি চালু আছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ)। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের খ্যাতনামা অধ্যাপক ও বিখ্যাত আইনজীবীরা এই বিভাগের লেখাপড়ার মানের খুব প্রশংসা করেছেন। শিক্ষার্থীরাও লেখাপড়া শেষে বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অত্যন্ত কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তাঁরা প্রায় শত ভাগ পাস করেছেন। আইনজীবী হিসেবে তাঁরা দেশের বিভিন্ন আদালতে কাজ করছেন। অনেকে বিসিএস দিয়ে প্রশাসন ও বিচার বিভাগে চাকরি করছেন। এই বিভাগের একাডেমিক সিলেবাসগুলো দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও আইন বিশেষজ্ঞরা তৈরি করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সেগুলোর অনুমোদনও দিয়েছে। এই বিভাগে আছে চার বছরের ‘এলএলবি (অনার্স)’, দুই বছরের ‘এলএলএম’ ও এক বছরের ‘এলএলএম’ কোর্স। এ ছাড়া বিভাগের অধীনে ‘মাস্টার্স অব হিউম্যান রাইটস ল’ নামে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কোর্স পড়ানো হয়। দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতেই (ডিআইইউ) এই কোর্সটি চালু আছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা দুই বছরের এই কোর্সে পড়ছেন। এ ছাড়া এটি পড়ে অনেকেই জাতিসংঘসহ বিভিন্ন নামকরা প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়ে কাজ করছেন। বিভাগের শিক্ষকরা ছাড়া দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের নামকরা অধ্যাপক, সাবেক বিচারপতি ও খ্যাতনামা আইনজীবীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সের (বিপিটিসি) পূর্ণকালীন শিক্ষকরা এখানে শিক্ষকতা করছেন। বিভাগের গ্রন্থাগারটিও খুব সমৃদ্ধ। এখানে আইনের মূল্যবান অনেক বই আছে, আছে অনেক রেফারেন্স বইও। আরো আছে ‘ডিএলআর’, ‘বিএলবি’, ‘বিএলসি’, ‘এমএলআর’, ‘বিএলটি’, ‘এডিসি’সহ দেশের সব ল জার্নাল ও ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক সংখ্যাগুলো।

ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ
এটি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিকের বিভাগ। এখানে এখন প্রায় এক হাজার ৩০০ ছাত্র-ছাত্রী পড়ছেন। এর আগে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া শেষ করে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। বিভাগটি শুরু থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে, তাত্ত্বিক ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। ফলে প্রথম ব্যাচেরই দুই শিক্ষার্থী বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুযোগ পেয়েছেন। এখানে আছে ‘বিবিএ’, ‘এমবিএ’ ও ‘ইএমবিএ’ কোর্স। বিভাগের অধীনে ‘রিসার্চ ম্যাথডোলজি’, ‘লিডারশিপ অ্যান্ড অন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট’, ‘সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল’ নামের স্বল্পমেয়াদি কোর্সেও আগ্রহীদের পাঠদান করা হয়। ২৬ জন শিক্ষকের পাশাপাশি খ্যাতনামা ব্যক্তিরা রিসোর্স পারসন হিসেবে এখানে পাঠদান করেন।

ইংরেজি বিভাগ
বৈশ্বিক ভাষা ইংরেজিতে যেন ছাত্র-ছাত্রীরা দক্ষ হয়ে ওঠেন, সে জন্য এখানে ইংরেজি ভাষাটি খুব গুরুত্ব দিয়ে পড়ানো হয়। এই বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আছে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব’। এই বিভাগের সব ছাত্র-ছাত্রীকেই বাধ্যতামূলকভাবে ক্লাবের সদস্য হতে হয়। সেখানে আইএলটিএসভিত্তিক সিডি, আধুনিক কম্পিউটার, হেডফোনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের ভাষাগত উত্কর্ষ তৈরি করেন। তাঁরা অবসরে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে ঐতিহাসিক নাটক ও বিখ্যাত সিনেমাগুলো দেখে ভাষা দক্ষতা ও জ্ঞানের আরো উন্নতি ঘটান। এতে তাঁদের ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি অনুরাগও বাড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে তাঁদের জন্য আলাদা কর্নার আছে। সেখানে ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত ও সাম্প্রতিক কবিতা, গল্প, নাটক, উপন্যাস ও সমালোচনা সাহিত্যের অনেক বই আছে। তাঁরা প্রয়োজনে বইগুলো বাড়িতে নিয়েও পড়তে পারেন। এই বিভাগের প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরুতেই ইংরেজিতে বাধ্যতামূলক ফাউন্ডেশন কোর্স করেন। এসব কারণে এই বিভাগের সুনাম ছড়িয়ে গেছে।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে। ফলে শুরু থেকেই ডিআইইউ মানসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্মী তৈরিতে অবদান রেখে চলেছে। এই বিভাগের কারিকুলাম তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত অধ্যাপক ও সমাজবিজ্ঞানী ড. হাবিবুর রহমান। ফলে বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা লাভ করতে পারছেন। তাঁরা অনার্স ও মাস্টার্সের শেষ সেমিস্টারে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, উপজাতিদের জীবনযাপন পর্যবেক্ষণ ও নানা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা সফর করেন। এ ছাড়া তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় বিভিন্ন সময় সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপে অংশ নেন। ফলে তাঁদের দক্ষতা বাড়ে। এসব কারণে বিভাগটি থেকে পাস করে তাঁরা ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানে কাজ পান।

ফার্মাসি বিভাগ
এ দেশে দক্ষ ও মানসম্পন্ন ফার্মাসিস্ট তৈরির ক্ষেত্রে ডিআইইউর ফার্মাসি বিভাগের অনন্য ভূমিকা রয়েছে।   বিভাগটিও খুব ভালো। এখানে এখন ‘বিফার্ম (ব্যাচেলর অব ফার্মাসি)’ কোর্স চালু আছে। ‘এমফার্ম (মাস্টার্স অব ফার্মাসি)’ কোর্সটি চালু করা হবে। ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাসরুমে যেমন তাত্ত্বিক জ্ঞান লাভ করেন, তেমনি বিভিন্ন ওষুধের কারখানায় ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করে হাতে-কলমে শেখেন। তাঁদের জন্য বিভাগে সাতটি উন্নতমানের ল্যাব আছে। তাঁরা পড়ালেখার পাশাপাশি ক্যারিয়ারবিষয়ক নানা ধরনের সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ নেন।


মন্তব্য