kalerkantho


বিদ্যালয় মৌমাছির ‘অভয়ারণ্য’

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বন-জঙ্গল বা নির্জন কোনো জায়গা নয়, কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসেছে মৌমাছির মেলা। পুরো বিদ্যালয়কেই বলতে গেলে অভয়ারণ্য করে নিয়েছে মৌমাছিরা।

এলাকাবাসী জানায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মৌমাছিদের গুঞ্জরণে মুখরিত থাকে বিদ্যালয় চত্বর। পাঁচ বছর ধরে মৌমাছিরা এখানে আশ্রয় নিয়েছে। একটি-দুটি নয়, এবার তারা গড়ে তুলেছে ২৩টি চাক। স্থানীয়রা জানায়, অগ্রহায়ণ মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিদ্যালয়ের কার্নিশে আবাস গড়ে তোলে এসব মৌমাছি। এগুলো দেখতে বহু লোক প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যায়। শিশুদের আনন্দ-বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এগুলো।

বিদ্যালয়টির চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তার, তালহা আক্তার, লিসান মিয়া ও ইভা আক্তার জানায়, মৌমাছিগুলো তাদের কামড়ায় না। অনেক সময় ছাত্রছাত্রীদের শরীরে এসে বসে থাকে। তারাও আর এগুলোকে ভয় পায় না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাইজুল কবির জানালেন, এবার যেন কেউ রাতের আঁধারে মধু চুরি করে নিতে না পারে, এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মধু সংগ্রহকারী ও বিক্রেতা উপজেলার নগর গ্রামের মো. হাবু মিয়া (৪৭) জানান, তিনি নিকলীসহ বিভিন্ন উপজেলায় মৌমাছির চাক ভেঙে মধু সংগ্রহ করেন। তবে এক জায়গায় একসঙ্গে ২৩টি মৌচাক জীবনে দেখেননি।

নিকলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, আশপাশে সরিষা জমি থাকায় মৌমাছিরা এখানে চাক বেঁধেছে।

 



মন্তব্য