kalerkantho


অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসা নিয়ে সংশয়

তৌফিক মারুফ   

১৩ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



নেপালের কাঠমাণ্ডু ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় উদ্ধার করা জীবিত যাত্রীদের উন্নত ও জরুরি চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। সেই সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব কাঠমাণ্ডুতে বাংলাদেশের একটি দক্ষ মেডিক্যাল টিম পাঠানোর তাগিদ দিয়েছেন তাঁরা।

স্বাস্থ্যসচিব সিরাজুল হক খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়েই আমরা ইতিমধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ টিম রেডি করেছি। কাঠমাণ্ডুর বিমানবন্দর চালু হলে এবং যাওয়ার মতো ব্যবস্থা হলে যেকোনো সময় ওই টিম কাঠমাণ্ডু যাবে।’

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন গতকাল সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নেপালে হাতে গোনা দু-তিনজন বার্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন, যাঁরা আমাদের এখান থেকেও অভিজ্ঞতা নিয়েছেন। এ ছাড়া সেখানে যে হাসপাতালগুলোতে আহত বিমানযাত্রীদের নেওয়া হয়েছে সেগুলোতে তেমন কোনো উন্নত বার্নের চিকিৎসার সুযোগ নেই।’

ডা. সামন্ত লাল সেন পরে আরো জানান, মন্ত্রণালয় থেকে তাঁর কাছে একটি বার্ন বিশেষজ্ঞ টিমের নাম চাওয়া হয়েছে। তিনি নাম দিয়েছেন। সব কিছু প্রস্তুত। এখন শুধু যাওয়ার অপেক্ষা।

এদিকে কাঠমাণ্ডুর একটি সূত্র জানিয়েছে, সিলেটের রাগিব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজের ১৩ নেপালি শিক্ষার্থী কলেজের পরীক্ষা শেষে গতকাল দুর্ঘটনাকবলিত ইউএস-বাংলায় কাঠমাণ্ডু যায়। এ ছাড়া কয়েকজন ডাক্তারও ছিলেন, যাঁরা রেজিস্ট্রেশনের জন্য বাংলাদেশে এসেছিলেন।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ খবর অনুসারে কাঠমাণ্ডু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৪ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশের আছেন ১০ জন। তাঁরা হলেন রকিবুল হোসেন, ক্রু খাজা হোসেন, যাত্রী ইমরানা কবীর, কবির হোসেন, রশিদ হোসেন, মেহেদী হাসান, রিজানা আব্দুল্লাহ, শাহরিন আহম্মেদ ও মো. শাহিন। এ ছাড়া ওই হাসপাতালে অন্য যাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন হরি শঙ্কর পৌদেল, প্রবীণ চিত্রকর, সাজানা দেবকোটা, পিঞ্চি ধামী, সামিনা ব্যঞ্জনকর, ডা. ইরজানা, ধীরেন্দ্র সিং পুজানা, স্বর্ণা, কিশোর ত্রিপাঠি, হরিপ্রসাদ সুবেধী, ধর্ম তাম্রকার ও কেশব পাণ্ডে। বাকি দুজন অজ্ঞাতপরিচয়।



মন্তব্য