kalerkantho


খুলনায় ছাত্রদলে দ্বন্দ্ব আরো প্রকাশ্যে

পাল্টা আহ্বায়ক কমিটি গঠন আগের কমিটি বাতিল দাবি

খুলনা অফিস   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



এবার পাল্টা কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে খুলনা মহানগর ছাত্রদলের গ্রুপিং প্রকাশ্যে এসেছে। যাদের উদ্যোগে এই কমিটি তারা ৩৯১ সদস্যের মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি, পাঁচটি থানা ও একটি কলেজ কমিটি ঘোষণার বিরোধিতা করে আসছিল। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, সম্প্রতি ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অছাত্র, মাদকসেবী, ব্যবসায়ী ও অসাংগঠনিক ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। বাদ দেওয়া হয়েছে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের। এ কারণেই তারা ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে ৫১ সদস্যের পাল্টা মহানগর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছে।

২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর শরিফুল ইসলাম বাবুকে সভাপতি ও হেলাল আহম্মেদ সুমনকে সাধারণ সম্পাদক করে মহানগর ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কমিটি। এই কমিটির মেয়াদ পূর্তির ১৭ দিন আগে কেন্দ্রীয় কমিটি সম্প্রতি ৩৯১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে। একই সঙ্গে নগরের পাঁচটি থানা ও একটি কলেজ কমিটিও ঘোষণা করা হয়। এতে বাদপড়া ছাত্রদলের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে। এই অংশের দাবি, ২০১৬ সালে আংশিক কমিটি ঘোষণাকালে ছাত্রদলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদ করলে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তাদের রাখা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু এবারও তাদের পরিকল্পিতভাবে বাদ দিয়ে আগের কমিটির সঙ্গে কিছু নাম যোগ করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ এই নেতাকর্মীরা গত মঙ্গলবার বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আগের কমিটির সহসভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম মনিরের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক করে। ওই বৈঠকে মো. মনিরুল ইসলাম মনিরকে আহ্বায়ক, শহিদুল ইসলাম বাবু, মারুফুর রহীম দিপু, এস এ জসিম খান, সৈয়দ মুহা. তানভীর আহমেদ, আসলাম সোহেল রনি, মেহেদী হাসান বাপ্পি, সালমান সরদার, গোলাম রাব্বি, মোহাম্মদ হোসেন দবির, আব্দুল আজিজ মীম, তাজমুন হোসেন তাজু, মো. রিয়াজুল ইসলাম ও মো. মাসুদ পারভেজকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৫১ সদস্যের মহানগর কমিটি ঘোষণা করা হয়। পাল্টা কমিটির আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে যে কমিটি করা হয়েছে, সেটি মানা যায় না। সেখানে মাদক, ডাকাতি মামলার আসামি, খুলনার বাইরের জেলা-উপজেলার ওয়ার্ড পর্যায়ের কর্মীদের নেওয়া হয়েছে। তাই আমরা মহানগর কমিটি দিয়েছি।’

 



মন্তব্য