kalerkantho


সব ফলের খোসা ফেলতে নেই

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



সব ফলের খোসা ফেলতে নেই

আপেল : বেশির ভাগ মানুষই খোসাসহ আপেল খেয়ে থাকেন। কিন্তু কেউ কেউ খোসা ছিলে খান।

এর খোসায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আলঝেইমার্স রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। জেনেটিক সমস্যা মোকাবিলায়ও কাজ করে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এর ত্বকে আরো আছে ট্রিটার্পেনডস। এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে।

নাশপাতি : আরেকটি সুস্বাদু রসালো ফল। এর খোসা সহজেই খাওয়া যায় এবং এর স্বাদ মুখরোচক। কিন্তু এই খোসা ফেলে দিয়ে তবেই খান অনেকে। অথচ ফাইবারপূর্ণ এই খোসায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি সাইটোনিউট্রিয়েন্ট। কাজেই তা ফেলার মতো কোনো জিনিস নয়।

সফেদা : কিছুটা খসখসে ও মোটা খোসা থেকে অধিকাংশই তা ফেলে দিয়ে খান। কিন্তু ছালসহ খেলে মিলবে স্বাস্থ্যগত উপকারিতা। এর খোসার ভিটামিন দেহের জন্য প্রয়োজনীয় নানা উপাদান সরবরাহ করে। হজমেও দারুণ কাজ করে। কারণ এর খোসায় রয়েছে পটাশিয়াম, আয়রন, ফোলেট এবং প্যান্টোথেনিক এসিড।

পেয়ারা : খোসাসহ সহজেই চিবিয়ে খাওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই এর খোসা না ছাড়িয়ে খেতে পারেন না। পেয়ারায় আছে প্রচুর ভিটামিন সি। অনেকেই জানেন না, এই ভিটামিনের অধিকাংশটুকুই থাকে খোসায়। খোসায় আরো আছে লাইকোপেন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এর উপাদান ত্বকের যত্ন নেয়।

প্লাম : ফলটি খাওয়া উচিত খোসা না ছাড়িয়েই। কারণ এর খোসায় আছে ক্লোরোজেনিস এসিড নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ভিটামিন সিও মেলে। হজমেও উপকারী।

আম : শুনতে হয়তো অবাক লাগছে। কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, আমের খোসা ফেলা উচিত নয়। খোসাসহ হয়তো আম কিছুটা বিস্বাদ লাগবে। কিন্তু এতে রয়েছে ক্যারোটেনিয়েড, পরিফেনোল, ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ এবং পলিআনস্যাটুরেটেড ফ্যাটি এসিড। এসব উপাদান ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। বিশেষজ্ঞরা কাঁচা আম ছালসহ রান্নার পরামর্শও দেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য