kalerkantho


গাড়ি রাখার স্থান গোপনে বরাদ্দের অভিযোগ

আইনজীবীদের হাতে সমিতির সম্পাদক লাঞ্ছিত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহেদ বীরু লাঞ্ছিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগপন্থী একদল আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত কয়েকটি ভবনের পার্কিং স্পেস (গাড়ি রাখার স্থান) গোপনে বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে চড়াও হন তাঁর ওপর।

গতকাল দুপুরে সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে আজ রবিবার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এর একদিন আগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ নেতাদের এ ঘটনায় আদালতপাড়ায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সমিতির কার্যালয়ে ঢুকে সাধারণ সম্পাদককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বর্তমান সভাপতি কফিল উদ্দিন।

এস এম জাহেদ জানান, অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক ও প্রতীক কুমার দেব ছাড়াও ২০-৩০ জন সমন্বয় পরিষদ নেতা তাঁর ওপর চড়াও হন। তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালসহ শারীরিকভাবে নাজেহাল করেন।

তিনি বলেন, ‘তাঁদের অভিযোগ, আমরা নাকি নতুন ভবনের ২৬টি পার্কিং স্পেস গোপনে লটারি ছাড়া বরাদ্দ দিচ্ছি। অথচ আমরা পার্কিং স্পেস বরাদ্দের জন্য কোনো লটারির আয়োজন করিনি। ’

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক বলেন, ‘আইনজীবী সমিতির গঠনতন্ত্রের বিধান এবং প্রচলিত রীতি হচ্ছে যেহেতু ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হয়, তাই ডিসেম্বরের পর সমিতি নীতিনির্ধারণী কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে না।

কিন্তু এই রীতি ও গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে গত বৃহস্পতিবার বর্তমান কমিটি লটারি করে নতুন ভবনে চেম্বার বরাদ্দ দিয়েছে। আজও (শনিবার) তাঁরা লটারি করে চেম্বার বরাদ্দ দিচ্ছিলেন। আমরা গিয়ে প্রতিবাদ করেছি। ’ তিনি আরো বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী লটারি হতে হবে আবেদনকারীর সামনে। অথচ আবেদনকারীরা জানেন না বিষযটি। তাঁরা লটারি করে চেম্বার বরাদ্দ দিচ্ছেন এবং সেটা আবেদনকারীকে টেলিফোনে জানিয়ে দিচ্ছেন। ’

সমিতির সাধারণ সম্পাদককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, ‘সামান্য তর্কাতর্কি হয়েছে। অপ্রীতিকর কিছু হয়নি। ’


মন্তব্য