kalerkantho


প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পূরণ

এক টাকায় জমি পেল ভূমিহীন ৪৮ পরিবার

ছোটন কান্তি নাথ, চকরিয়া   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চকরিয়ার ভূমিহীন ৪৮ পরিবারকে মাত্র এক টাকায় বন্দোবস্তি দেওয়া হয়েছে প্রায় ৬ একর ১৮ শতাংশ খাসজমি। গতকাল সোমবার এসব উপকারভোগীর হাতে হস্তান্তর করা হয় জমির কাগজপত্র।

এ প্রসঙ্গে চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. দিদারুল আলম জানান, উপজেলার কোনাখালীতে খাসজমি বরাদ্দ পাওয়ার জন্য যাঁরা আবেদন করেছিলেন, তাঁদের মধ্য থেকে ৪৮ পরিবারকে জমি দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাহেদুল ইসলাম জানান, সব আবেদন পর্যালোচনা শেষে যাঁদের দখলে রয়েছে খাসজমি তাঁদেরকে উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাফর আলম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশে কেউ ভূমিহীন থাকবে না। পর্যায়ক্রমে সবাইকে খাসজমি বরাদ্দ দিয়ে বাড়িঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো চকরিয়ার কোনাখালী ইউনিয়নে ভূমিহীন ৪৮ পরিবারকে বরাদ্দ দেওয়া হল খাসজমি। মাত্র এক টাকার রাজস্বের বিনিময়ে রেজিস্ট্রিযুক্ত কবুলিয়তনামামূলে এসব জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। ’

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্র জানায়, নিজেদের নামে কোনো জায়গা-জমি না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এসব পরিবার সরকারের এক নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জমিতে বসতি নির্মাণ এবং কৃষিকাজ করে আসছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নীতিগত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এই খাসজমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে খাসজমি বরাদ্দের নীতিমালার আওতায় থাকায় এসব উপকারভোগীর মধ্যে যাঁর দখলে যতটুকু জমি রয়েছে, তিনি সেই জমিই বরাদ্দ পেয়েছেন।

 

খাসজমি বরাদ্দ পাওয়া কোনাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়ার মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে আশরাফ আলী, মৃত ফখরু আহমদের ছেলে নেছার আহমদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই খাসজমি আমাদের দখলে ছিল। সেখানে কেউ কৃষিকাজ, আবার কারো বসতি রয়েছে। ভূমিহীন হিসেবে আবেদন করার পর তা আমাদের নামে বরাদ্দ পেয়েছি। বিপরীতে কাউকে এক টাকাও ঘুষ দিতে হয়নি। শুধু একটাকা রাজস্ব দিয়ে (খাজনা) এই খাসজমি বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।


মন্তব্য