kalerkantho


‘অসীমের সীমানায়’ সবুজ বাংলাদেশ

দ্বিতীয় রাজধানী ডেস্ক   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



‘অসীমের সীমানায়’ সবুজ বাংলাদেশ

অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে ‘অসীমের সীমানায়’ ছবির পরিচালক ও কলাকুশলীরা।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে মুক্তি পেল নকশার প্রযোজনায় চিটাগং শর্টের পরিবেশনায় নির্মিত গানছবি ‘অসীমের সীমানায়’। ৩ ডিসেম্বর নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার, গানটির রচয়িতা সাদেকা বেগম আশরার, ব্যবসায়ী মঞ্জুরুল হক, সিপিডিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার হোসেন, হ্যামার স্ট্রেংন্থ ফিটনেস সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুম্মান আহমেদ, নকশার কর্ণধার ইসমাইল চৌধুরী, চলচ্চিত্র নির্মাতা রায়হান রাফী প্রমুখ।

ছবিটির হেড অব ক্রিয়েটিভ শারাফাত আলী শওকতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুরুতেই ‘অসীমের সীমানায়’ প্রদর্শিত হয়। কিছুক্ষণের জন্য উপস্থিত সবাই সবুজ ভুবনে ডুবে যান, পাহাড়ের চূড়ায় উঠে আকাশ ছুঁতে চাইছিলেন!

গানটি উপভোগ করার পর অতিথিরা বক্তব্য দেন। দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরার জন্য অতিথিরা সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ দেন। তাঁরা মনে করেন, শুধু বিনোদন নয়, ছবিটিতে মন, মাটি ও মানুষের অন্তর্নিহিত বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার বলেন, ‘পেশাদারি মনোভাব নিয়ে গানটি সুর করতে বসেছিলাম। কিন্তু যখন বসেছি গানের কথাগুলোতে একদম মিশে গিয়েছি।’

গীতিকার সাদেকা বেগম বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও রূপ লাবণ্যের কথা বলে শেষ করা যায় না। যতই বলি মনে হয় যেন কম বলা হয়েছে।’

ছবিটির পরিচালক রায়হান রাফী বলেন, ‘অনেক চমত্কার অভিজ্ঞতা হয়েছে কাজটি করতে গিয়ে। চেষ্টা ছিল, একটি নতুন বাংলাদেশকে দেখানো যা চোখ বন্ধ করলেই একটি প্রশান্তির আভাস দেবে। নিজের দেশকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পেরে সত্যিই অনেক তৃপ্ত।’

প্রযোজক ইসমাইল চৌধুরী বলেন, ‘এটি শুধু একটি গান নয়। এখানে দর্শক একটি সুন্দর গল্প খুঁজে পাবেন, একটি নতুন বাংলাদেশ খুঁজে পাবেন।’


মন্তব্য