kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মাকে দেখতে এসে সন্তান খুন

ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



মাকে দেখতে এসে সন্তান নিহত হওয়ার ঘটনায় এক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার নাম ইমরান হোসেন বাপ্পী।

গত রবিবার রাতে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বাপ্পী চান্দগাঁও থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ইসমাইল হোসেন টেম্পু বাহিনীর সদস্য বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে নিহত নাছিরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে মো. সুমনের কাছ থেকে। তার মোবাইলের দোকান আছে। ছিনতাই করা মোবাইল বিক্রির অভিযোগে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গত শুক্রবার সকালে পুলিশ নাছিরের লাশ উদ্ধার করেছিল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ চাকমা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাপ্পী খুনের দায় স্বীকার করেছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। আদালতেও তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ’

বাপ্পী জানিয়েছে, তারা অটোরিকশা নিয়ে ছিনতাই করে। ওই রাতে তারা ছিনতাই করতে বের হয়েছিল। ওই সময় নাছির উদ্দিনের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের সময় ধস্তাধস্তি করায় তাঁকে ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ফোন নিয়ে গিয়েছিল এরা।

পিবিআই সূত্র জানায়, নাছির উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের পর মামলা হয়েছিল খুলশী থানায়। পরে মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইয়ে স্থানান্তরিত হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োজিত হন সন্তোষ চাকমা।

ঘটনার বিষয়ে সন্তোষ চাকমা জানান, অসুস্থ মাকে দেখতে গত বৃহস্পতিবার নোয়াখালী থেকে চট্টগ্রামে এসেছিলেন নাছির উদ্দিন। পথে যানজটের কারণে তাঁর হাসপাতালে পৌঁছতে রাত হয়ে যায়। এ সময় দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে মায়ের সঙ্গে থাকা চাচি তাঁকে তাঁর বাসায় গিয়ে বিশ্রাম নিয়ে পরদিন ভোরে হাসপাতালে আসার পরামর্শ দেন। কিন্তু পরদিন শুক্রবার সকালে নাছিরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওইদিন নাছিরের শরীরে ছুরিকাঘাতের ধরন দেখেই পুলিশ সন্দেহ করেছিল, ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নাছিরের মৃত্যু হতে পারে। নাছির ছিলেন দুই সন্তানের জনক।


মন্তব্য