kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সাগরপাড়ে পর্যটকদের জন্য পূজামণ্ডপ

তোফায়েল আহমদ, কক্সবাজার   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



পর্যটনশহর কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্যও রয়েছে পূজামণ্ডপ। সাগরপাড়ের লাবণী পয়েন্টের বিশাল জায়গাজুড়ে স্থাপন করা মণ্ডপটি এবার বেশ জমকালো ও আকর্ষণীয় হয়েছে।

বিপুলসংখ্যক পর্যটক সেখানে ভিড় করছেন প্রতিদিন।

গতকাল সোমবার বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়, বর্ষণ উপেক্ষা করেও পূজার্থীরা ভিড় করছেন মণ্ডপে।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক হরকিশোর বলেন, ‘গাড়ি থেকে নেমেই সৈকতে যাওয়ার মুখেই মণ্ডপটি পেয়ে পুষ্পাঞ্জলি দিলাম। প্রার্থনাও করলাম। ’

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ছুটি থাকায় কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন অনেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী। পূজার সময় এসব ভ্রমণকারীকে পূজা দিতে খুঁজতে হয় মণ্ডপ। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই খোঁজাখুঁজির ঝামেলা নেই। সৈকত থেকে ওঠে আসার সময় এবং নামার পথেই পড়ে মণ্ডপ। সৈকতের লাবণী পয়েন্টের মণ্ডপটি পর্যটকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পর্যটকদের সুবিধার্থে গত ছয় বছর ধরে আমরা সৈকতপাড়ে পূজামণ্ডপ স্থাপন করে আসছি। প্রথম প্রথম পর্যটক পূজারীর সংখ্যা কম ছিল। কিন্তু ক্রমশ পূজারীর সংখ্যা বাড়ছে। ’

তিনি জানান, সাগরপাড়ের পূজামণ্ডপটি পর্যটকদের জন্য ‘বাড়তি পাওনা’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কক্সবাজার সাগরপাড়ের লাবণী বিচ দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রতন দাশ কালের কণ্ঠকে জানান, সাগরপাড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী ৬০/৭০ জন ব্যবসায়ী আছেন। তাঁরা সবাই মিলে মণ্ডপটি করে থাকেন। এটি করতে তাঁরা ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা বাজেট করেছেন এবার। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ থেকেও তাঁরা ৩৫ হাজার টাকা সহযোগিতা পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজার জেলায় গেল বছর দুর্গাপূজায় ২৭৬টি মণ্ডপ ছিল। আর এবার ১০টি বেড়ে হয়েছে ২৮৬।

 


মন্তব্য