kalerkantho


কোস্টগার্ডের অভিযানে ৪৩ সন্ত্রাসী আটক

সন্দ্বীপে চাঁদাবাজি ও জেলে অপহরণে জড়িত ‘বিসমিল্লাহ গ্রুপ’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



সন্দ্বীপে ‘বিসমিল্লাহ গ্রুপ’ নামে একটি সন্ত্রাসী দলের চাঁদাবাজি এবং জেলে অপহরণের ঘটনায় সাধারণ জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বঙ্গোপসাগরে ওই বাহিনী তাণ্ডব চালায় প্রায়ই। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলেদের কাছ থেকে চাঁদাবাজিও করে।

এদের নেতৃত্বে আছে আলাউদ্দিন ও ভুট্টু নামের দুই সন্ত্রাসী। ‘আলাউদ্দিন-ভুট্টু বাহিনী’ নামেও জেলেদের কাছে পরিচিত এরা।

জেলেদের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাওয়ার পরই গোয়েন্দা তত্পরতা শুরু করে কোস্টগার্ড। এরপর ‘বিসমিল্লাহ গ্রুপ’ দমনে অভিযান শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার ও রবিবার দুই দফা অভিযান চালিয়ে অস্ত্রশস্ত্রসহ ওই বাহিনীর ৪৩ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্দ্বীপ থানায় মামলা করা হয়েছে।

সর্বশেষ গত রবিবার পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন এম শহীদুল ইসলাম। একটি দ্রুতগামী মেটালশার্ক, দুটি স্পিড বোট ও দেশীয় মাছধরার ট্রলার নিয়ে অভিযান শুরু করা হয়। সন্দ্বীপের টেংগার চরে চলে সাঁড়াাশি অভিযান।

অভিযানকালে ওই সন্ত্রাসী দলের ১৯ সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ছয়টি পাইপগান, দুটি পিস্তলসহ বিভিন্ন অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

এ প্রসঙ্গে কোস্টগার্ড পূর্বজোনের লে. কমান্ডার ওমর ফারুক জানান, এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেও ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওই দিন টেংরার চর এলাকায় মাঝিদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির সময় ২৪ জলদুস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে আটটি রামদা উদ্ধার করা হয়।

লে. কমান্ডার ওমর ফারুক জানান, কাঠের নৌকায় করে ‘বিসমিল্লাহ গ্রুপ’ জেলেদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে বলে জেলেরা অভিযোগ করেছেন। তাঁদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কোস্টগার্ড গোয়েন্দা তত্পরতা চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়।


মন্তব্য