kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

নানা রঙ আর বৈচিত্র্য

আসাদুজ্জামান দারা, ফেনী   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



নানা রঙ আর বৈচিত্র্য

ফতেয়াবাদ পল্লী সংগঠন সমিতির মণ্ডপে হাতির আদলে নির্মিত তোরণটি দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। ছবি : কালের কণ্ঠ

সব পূজামণ্ডপে সাজ সাজ রব। নানা রঙ আর বৈচিত্র্যে সেজেছে মণ্ডপগুলো।

ফেনীতে প্রায় চার লাখ পুণ্যার্থী ১৪১ মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপন করছেন।

সদর উপজেলায় ৫৬, দাগনভূঞায় ১৭, সোনাগাজীতে ২২, ছাগলনাইয়ায় ৫, ফুলগাজীতে ৩৫ এবং পরশুরামে ৬টি মণ্ডপ রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ফেনী শহরের জগন্নাথবাড়ি কমপ্লেক্স, গুরুচক্র মন্দির ও কালীবাড়ি মন্দিরে পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছে। এছাড়া রামকৃষ্ণ মিশন ও বাঁশপাড়া কোয়ার্টার, পরশুরামের সাতঞ্জী বাড়ি মন্দির, ফুলগাজীর জগন্নাথবাড়ি মন্দির, ছাগলনাইয়া ও দাগনভূঞার কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিপুলসংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে।

জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার শহরের কালিপাল এলাকায় বিসর্জন ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এ সময় প্রতিবছরের মতো এবারও হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

এদিকে পূজা উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। ফেনী জেলা পুলিশ সুপার রেজাউল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দুর্গাপূজা যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, সেজন্য পুলিশ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে পুলিশ ও আনসার-ভিডিপি মোতায়েন রয়েছে। ’

ফেনী জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুসেন চন্দ্র শীল বলেন, ‘মন্দির ছাড়াও সব পূজামণ্ডপে পুষ্পমাল্য ও বিল্বপত্রের মাধ্যমে পুষ্পাঞ্জলি, ধূপ ও কুশীর মাধ্যমে প্রতিমা আরতি, অষ্টমী ও নবমীতে অন্ন প্রসাদ এবং পুরোহিত দ্বারা চণ্ডীপাঠসহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গোৎসব উদ্যাপন করা হচ্ছে। ’

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাজীব খগেশ দত্ত জানান, প্রতিটি মণ্ডপে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা হচ্ছে।


মন্তব্য