kalerkantho


দেড় কিলোমিটারে ২৩ পূজামণ্ডপ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



হাটহাজারী উপজেলার চৌধুরীহাট দাতারাম সড়কের দুই পাশে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকায় এবার ২৩ মণ্ডপে দুর্গাপূজা হচ্ছে। এগুলোর বেশির ভাগই সর্বজনীন পূজামণ্ডপ।

এত কম দূরত্বে অধিকসংখ্যক পূজামণ্ডপ দেশের আর কোথাও নেই বলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল পালিত জানান।

সড়কটির দুই পাশে একের পর এক পূজামণ্ডপ ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ। চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কের পাশে চৌধুরীহাটের পূর্বদিকে এসব পূজামণ্ডপ দেখতে হাজারো দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে প্রতিদিন। উপচেপড়া ভিড় সামলাতে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গত দুই দিন সন্ধ্যা ছয়টার পর সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দর্শনার্থীদের এই ভিড় ছিল গভীর রাত পর্যন্ত। পূজা উপলক্ষে মণ্ডপগুলোর আশপাশে মেলার মতো দোকানপাটও বসেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রথমে ঢুকতেই রয়েছে ফতেয়াবাদ পল্লী সংগঠন সমিতির পূজামণ্ডপ। ওই মণ্ডপে হাতির আদলে করা প্রবেশ গেটটি সবার নজর কেড়েছে। প্রতিমা দেখতে উপচেপড়া ভিড়। এই মণ্ডপের পাশে প্রখ্যাত গণসঙ্গীত শিল্পী হরিপ্রসন্ন পালবাড়ি, সর্দ্দার পাড়ার দুটি পূজামণ্ডপ। সেখান থেকে কয়েক শ গজ গেলে ডা. বিজয় সরকারবাড়ির মণ্ডপ। এরপর একে একে ব্রাহ্মণবাড়ি, মাস্টার্স সোসাইটি, বৃহত্তর পালপাড়া, শহীদ স্মৃতি সংগঠন, কল্পতরু সংঘ, বয়েজ ক্লাব, মাস্টারদা স্মৃতি সংঘসহ ২০টি দুর্গাপূজার মণ্ডপ রয়েছে। কল্পতরু সংঘের মণ্ডপে এবার ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

ফতেয়াবাদ পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিলন চৌধুরী ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার লিটন দাশ বলেন, এখানকার মণ্ডপগুলো দেখতে নগর ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপনে সবার সহযোগিতা আমরা পেয়েছি। এখানে পূজা ঘিরে সব ধর্মের মানুষের মিলনমেলা ঘটেছে।

জানা গেছে, ওই এলাকায় গত বছর ২২টি পূজামণ্ডপ ছিল। এবার শীলপাড়ায় নতুন একটি মণ্ডপ হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী এখানে আসেন।


মন্তব্য