kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দর্শনার্থী টানছে বেড়াবাড়িয়া রাবারড্যাম

আসাদুজ্জামান দারা, ফেনী   

৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



পরশুরামের কহুয়া নদীর উপর নির্মিত বেড়াবাড়িয়া রাবারড্যাম হতে পারে আধুনিক ও আকর্ষণীয় বিনোদন কেন্দ্র। এটির নির্মাণশৈলী দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে।

প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বহু দর্শনার্থী ছুটে আসেন এখানে।

জানা যায়, উপজেলার বেড়াবাড়িয়া গ্রামের কহুয়া নদীতে ২০০৭ সালে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের রাবার ড্যামটি নির্মাণ করা হয়। ড্যাম প্রকল্পে একটি ফুট ওভারব্রিজ, ৩০০ মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, একটি ডাইভারশান চ্যানেল খনন ও একটি পাম্প নির্মাণ করা হয়। রাবার ড্যামটি নির্মাণের ফলে

বেড়াবাড়িয়া, সাতকুচিয়া, কোলাপাড়া, সলিয়া, বাশপদুয়া, উত্তর গুথুমা গ্রাম বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধার সুযোগ পাচ্ছেন কৃষক। বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্যামটি নির্মিত হলেও অনেকের কাছে এটি একটি দর্শনীয় স্থান।

স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন জানান, রাবারড্যামটি নির্মাণের পর এটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না। এটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করে কহুয়া নদীর পাড়ে বিনোদনের সামগ্রী স্থাপন করলে এটি একটি আধুনিক মানের বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে।

পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল বলেন, ‘বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনে রাবার ড্যামটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এছাড়া এটি একটি দর্শনীয় স্থানেও পরিণত হয়েছে। রাবার ড্যামের নান্দনিক নির্মাণ, ড্যামের উপর দিয়ে পানি যাওয়া দেখতে অনেকে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন। রাবারড্যাম প্রকল্পটি পরিণত হয়েছে একটি দর্শনীয় স্থানে। ’ তিনি জানান, সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বেড়াবাড়িয়ার রাবার ড্যামও হতে পারে একটি আধুনিক মানের বিনোদন কেন্দ্র।


মন্তব্য