kalerkantho


বান্দরবানে ৩০ পূজামণ্ডপ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান   

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বান্দরবানে এবার ৩০ পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব হবে। উৎসব শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ করতে বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বান্দরবান কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মীপদ দাশ জানিয়েছেন, জেলা সদরে ১০টি এবং অপর ছয় উপজেলায় ২০ পূজামণ্ডপ তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এদিকে গতকাল সোমবার বিকেলে বান্দরবান শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে স্থাপিত কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, পূজা আয়োজনের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করে এনেছে উৎসব উদযাপন কমিটি। দুর্গাসহ অন্যান্য প্রতিমাকে সাজিয়ে তুলতে প্রতিমা শিল্পীরা দারুণ ব্যস্ত। মণ্ডপের প্রবেশ মুখে শৈল্পিক তোরণ নির্মাণে একটানা কাজ করে যাচ্ছেন পেশাজীবী শিল্পী এবং শৌখিন সহযোগীরা। আগামী ৭ অক্টোবর শুক্রবার মহাষষ্ঠীর আগেই সব কাজ সম্পন্ন করতে সবাই কাজ করছেন জোরেশোরে।

পূজা উদযাপন কমিটি জানায়, শুক্রবার সকাল ৭টায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন, দেবীর মুখোন্মচন ও দেবী স্তূতির মাধ্যমে পূজার শুভ সূচনা করবেন রাঙামাটির বাঙালহালিয়ার জ্যোতিশ্বর বেদান্ত মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী অভেদানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং এমপি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

১১ অক্টোবর মহাদশমীর দিনে সকাল ১১টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে শহরের কেন্দ্রস্থলে শঙ্খ নদীতে দেবী দুর্গা মাকে বিসর্জন দেওয়ার মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসব শেষ হবে।

লক্ষ্মীপদ দাশ জানান, এবারও বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গামণ্ডপকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় মণ্ডপে রূপ দিতে স্বেচ্ছাসেবক এবং সর্বস্তরের কর্মীরা রাতদিন পরিশ্রম করছেন। তিনি জানান, জেলার সকল এলাকায় পুজা উৎসবকে শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ রাখার জন্য বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য