kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


‘সেরা’ সাঁতারু হওয়ার দৌড়ে চট্টগ্রামের ২২৫ প্রতিযোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



‘সেরা’ সাঁতারু হওয়ার দৌড়ে চট্টগ্রামের ২২৫ প্রতিযোগী

গতকাল নগরীর লালদিঘিতে ‘সেরা সাঁতারুর খোঁজে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

এই প্রজন্মের কাছে এখনকার সাঁতার মানেই মাহফুজা খাতুন। সর্বশেষ সাফ গেমসে ভারতের গোয়াহাটিতে দুটি স্বর্ণপদক জিতে পুরো দেশের নজর কেড়েছেন যশোরের অভয়নগর উপজেলার অজপাড়া গাঁয়ের মেয়েটি।

আর মাহফিজুর রহমান তো সর্বশেষ রিও অলিম্পিকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন বাংলাদেশ সাঁতার দলের। তাই ভবিষ্যতের মাহফুজা আর মাহফিজুরদের খোঁজে নেমেছে বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন। নৌবাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে সেরা সাঁতারুর খোঁজে সারা দেশ চষে বেড়াচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

এরই অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার ‘সেরা সাঁতারুর খোঁজে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে লালদিঘির অস্থায়ী পুলে নেমেছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রতিযোগীরা। বয়সভিত্তিক চার গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রায় ২২৫ জন ছেলে ও মেয়ে  নেমেছিল লালদিঘির পুলে।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওই প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার (সিজেকেএস) সাঁতার কমিটির চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর কমান্ডার এস এম মাহমুদুর রহমানসহ বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন ও সিজেকেএস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি গিয়ে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের সাঁতার জগতে জনজোয়ার সৃষ্টি হবে। বেরিয়ে আসবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের সাঁতারু। আমরা দেশ ও জাতিকে এরকম কিছু সাঁতারু উপহার দিতে পারব। ’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে এই অঞ্চলে সাঁতারের ক্ষেত্রটা সীমিত হয়ে গিয়েছিল। তবে সুখবর হচ্ছে নগরীতে একটি আন্তর্জাতিক মানের সুইমিংপুল নির্মিত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আমরা প্রতিবছর বেশ কিছু সাঁতারু উপহার দিতে পারব। ’

আয়োজক সূত্র জানায়, বয়সভিত্তিতে মোট চারটি গ্রুপে বিভক্ত করে এই সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১১ থেকে ১২ বছর, ১৩ থেকে ১৫ বছর, ১৫ থেকে ১৭ বছর এবং ১৮ এর বেশি বয়সী নারী-পুরুষ সাঁতারুরা অংশ নিচ্ছে।

শুরুতে দেশের ৬৪ জেলার ৪৮৯টি উপজেলা থেকে মোট এক হাজার সাঁতারু বাছাই করা হবে। তাদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। এর মধ্যে প্রতি জেলার সেরা ২০ জনকে পুরস্কৃত করা হবে।

এরপর এক হাজার জনের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১৬০ জন সাঁতারু নির্বাচন করা হবে। এদের প্রত্যেককে পুনরায় পুরস্কৃত করা হবে। এই ১৬০ জনের মধ্যে প্রতিযোগিতা শেষে ৬০ জনকে নির্বাচন করা হবে। এই ৬০ জন সাঁতারু বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনে যোগ দেবে এবং তাদের বিশ্বমানের সাঁতারু হিসেবে প্রস্তুত করা হবে। তাদের পড়ালেখার খরচসহ যাবতীয় খরচ সুইমিং ফেডারেশন বহন করবে।


মন্তব্য