kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দীঘিনালায় বাদল হত্যা

রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি ১৫ দিনেও

জাকির হোসেন, দীঘিনালা   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জবাই করে দোকানদার হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি ১৫ দিনেও। ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোনো তথ্য পায়নি পুলিশ।

তাঁদের আবার আদালতে হাজির করে পুলিশ রিমান্ড চাইলে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয়।

ওই খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আফসার গাজির ছেলে মো. নাসির উদ্দিন ওরফে নাসির পিসি (৪৪),  আবদুল আজিজের ছেলে মো. নাসির ওরফে ছোট নাসির (৩৬), মৃত আবদুল মালেকের ছেলে মো. সিদ্দিক (৩৮) এবং মৃত হযরত আলির ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৩৭)। তাঁরা সবাই উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের অনাথ আশ্রম গ্রামের বাসিন্দা।

এ প্রসঙ্গে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক ফয়জুল করিম জানান, প্রথমে দুই দিনের রিমান্ডে এনে পুলিশ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে কারো কাছ থেকে কোনো স্বীকারোক্তি বা তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ‘আদালতে গ্রেপ্তারকৃতদের হাজির করে আবার রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত তাঁদের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। সবাইকে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ’

দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে ভাত-তরকারিতে ঘুমের ওষুধ মেশানো হয়েছিল। আর তা খেয়ে অজ্ঞান হওয়ার পর ঘুমের মধ্যে বাদলকে হত্যা করা হয়। তাই ওই ভাত-তরকারি পরীক্ষার জন্য সিআইডিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ’

উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার অনাথ আশ্রম এলাকার দোকানদার বাদল মিয়াকে (৪১) ঘুমন্ত অবস্থায় নিজ ঘরে জবাই করে হত্যা করা হয়। এর আগে বাদল ও তাঁর স্ত্রী দুজনকেই ‘ওষুধ খাইয়ে’ অচেতন করা হয়। সকালে যখন বাদলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ তখনো অচেতন ছিলেন তাঁর স্ত্রী। পরে তাঁকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিত্সা দেওয়া হয়। চা দোকানের লাগোয়া ছিল বাদলের ঘর।

 


মন্তব্য