kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সেতু হয়েছে কিন্তু সড়কের সংযোগ অংশের কাজ হয়নি

জনদুর্ভোগ চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



সেতু হয়েছে কিন্তু সড়কের সংযোগ  অংশের কাজ হয়নি

সড়কের সংযোগ অংশের কাজ শেষ না হওয়ায় চালু করা যাচ্ছে না পটিয়ার নবনির্মিত শান্তির হাট সেতু। ছবি : কালের কণ্ঠ

পটিয়া উপজেলার শান্তির হাটে একটি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও দুই পাশের সড়কের সংযোগ অংশের কাজ করা হয়নি। এর ফলে সেতুটি চালু করা যাচ্ছে না।

এতে ওই এলাকার হাজারো মানুষ যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

জানা গেছে, শান্তির হাট থেকে কালারপোল সড়কে যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম কান্তির হাট-বুধপুরা জিসি সড়কের ‘শান্তির হাট সেতু’র নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। দুই পাশের সংযোগ অংশ ছাড়া আর কোনো কাজ বাকি নেই। এই অল্প কাজ না হওয়ায় সেতুটি চালু করা যাচ্ছে না। ফলে সেতু সংলগ্ন আশপাশের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পটিয়া কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সেতুর নির্মাণ কাজের শেষ সময় ছিল ২০১৬ সালের ৩০ জুন। কিন্তু ওই সময়ের প্রায় তিন মাস পার হলেও সেতুটি এখনো উদ্বোধন করা যায়নি।

পটিয়া উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে পুরনো সেতুটি ভাঙতে একটু বেশি লেগে যায়। বৃষ্টি কমার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে। আগামী কিছু দিনের মধ্যে অবশিষ্ট কাজ শেষ হয়ে যাবে। ’

তিনি জানান, সেতুটি স্থানীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। এ ব্যাপারে তিনিও সংশ্লিষ্টদের বারবার তাগাদা দিচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দেড় বছর ধরে সেতুটির নির্মাণকাজ চলছে। কাজ চলাকালে মানুষ কষ্ট সহ্য করে যাতায়াত করছিল। কিন্তু বর্তমানে সেতুর দুই পাশের সড়কের সংযোগ অংশ ছাড়া অন্য প্রায় সব কাজ শেষ। এছাড়া গত রমজানের ঈদের কয়েকদিন আগে ওই সেতু দিয়ে সাময়িকভাবে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়। তবে সড়কের সঙ্গে সেতুর সংযোগ কাজ না হওয়ায় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। আর যাতায়াতে স্থানীয়দেরও পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ।

জানা যায়, পশ্চিম পটিয়ার অন্যতম জংশন শান্তির হাট। সেখানে আশপাশের গ্রাম চাপড়া, মোহাম্মদ নগর, কালারপোল, লাখেরা ও কুসুমপুরার বাসিন্দাদেরকে ওই সেতু হয়ে আসতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এটি বন্ধ থাকায় এসব এলাকার মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠেছে।


মন্তব্য