kalerkantho

শুক্রবার । ২ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

কামারশালায় ব্যস্ততা

জাহেদুল আলম, রাউজান   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কোরবানির ঈদ ঘিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামাররা। তৈরি হচ্ছে পশু জবাইয়ের কাজে ব্যবহৃত দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি।

চলছে পুরনো দা-ছুরিতে শান দেওয়ার কাজও।

সরেজমিন দেখা যায়, রাউজান উপজেলার ১৪ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে হাট-বাজারে অর্ধশতাধিক কামারশালা রয়েছে। এসব কামারশালায় কাজ করেন কয়েক শ শ্রমিক (কামার)। এখন তাঁরা মহাব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। দম ফেলার ফুরসত নেই কারো। সবখানে ভিড়। কোরবানির পশু কাটাছেঁড়া করার জন্য ঘরের ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত সব দা, ছুরি, চাপাতি, বঁটি শান দিতে নিয়ে আসছেন কামারদের কাছে। তবে অনেকে আসছেন নতুন ছুরি বা দা কিনতে বা বানানোর অর্ডার দিতে। তবে ক্রেতা বেশি হওয়ায় দাম হাঁকা হচ্ছে বেশি।

নোয়াপাড়া পথেরহাটের অদূরে একটি কামারশালায় কর্মরত ৫১ বছর বয়সী প্রবীর দাশ নামে এক কামার জানান, পাঁচবছর ধরে তিনি ওই কাজে নিয়োজিত আছেন। কোরবানির ঈদ এলেই দা, বঁটি, ছুরি চাপাতি ইত্যাদি সরঞ্জাম শান দেওয়া ও বিক্রি করার ব্যস্ততা বেড়ে যায় তাঁদের। বছরের বাকি সময়টার বেশিরভাগই হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে হয়!

তিনি বলেন, ‘কোরবানির সময়ে ১০-১৫ দিনে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা মতো আয় হয়। বছরের বাকি সময়ে দৈনিক ১০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় হয়। এমন দিনও থাকে যেদিন এক টাকাও আয় হয় না। তাই অনেকে  অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। ’

এখন বাড়তি দাম প্রসঙ্গে এই কামার বলেন, ‘কোরবানির ঈদের ব্যস্ত সময়ে কাজের লোক পাওয়া খুবই দুরুহ। যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের মজুরিও বেশি। আর কাজের নানা উপকরণের যে হারে দাম বেড়েছে, সেই অনুপাতে আমরা দাম নিচ্ছি না। এই মৌসুমের আয়ের ওপর ভর করে বছরের বাকি সময় পার করতে হয়। ’

 


মন্তব্য