kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মহাসড়কে পশুর হাট বসা নিয়ে সংঘর্ষ

চকরিয়া প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কক্সবাজারের চকরিয়ায় মহাসড়কের পাশে বসা অবৈধ পশুর হাট সরিয়ে নিতে বলায় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ও তাঁদের লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে হাইওয়ে পুলিশের।

এ সময় পুলিশ লাঠিপেটা করলে অন্যপক্ষ ইট-পাটকেল ছুড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছুড়ে। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে খুটাখালী স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জের ধরে উচ্ছৃঙ্খল লোকজন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ব্যারিকেড দেয়। এতে অন্তত আধঘন্টা ধরে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। উভয়দিকে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুলসংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

মহাসড়কের মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মো. আশিকুর রহমান জানান, সরকারের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে মহাসড়কের পাশে কোনো অবস্থাতেই পশুর হাট বসবে না। কিন্তু বুধবার দুপুর থেকে খুটাখালী স্টেশনে মহাসড়কের দুপাশ দখলে নিয়ে পশুর হাট বসান জনৈক আবু তাহের। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাইওয়ে পুলিশ পশুর হাট মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিলে ক্ষুব্ধ হন তিনি। এ সময় তিনি তাঁর লোকজনকে উস্কানি দিলে তাঁরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ছুড়েন। হামলায় তিন পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হন।

চকরিয়া থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম খান জানান, হাইওয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে মহাসড়কে ব্যারিকেড দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে ফের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘মহাসড়কে পশুর হাট বসানোর জন্য কাউকে খুটাখালী বাজার ইজারা দেওয়া হয়নি। মহাসড়কে পশুর হাট বসানোর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তা সরিয়ে দেওয়া হয়। ’

তিনি জানান, ভবিষ্যতে আবার মহাসড়কে পশু বেচাবিক্রি করতে দেখলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউনিয়ন পরিষদের আশপাশে ওই হাট বসাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য