kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সকল জাতিসত্তার মাতৃভাষায় শিক্ষা চালুর দাবি

দ্বিতীয় রাজধানী ডেস্ক   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যৌথ উদ্যোগে ‘সংখ্যালঘু জাতিসমূহের শিক্ষা ও মাতৃভাষা’ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গত শুক্রবার নগরীর মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পলাশ চাকমার সভাপতিত্বে সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তথ্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রূপন চাকমা।

আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক রইসুল হক বাহার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ আমীর উদ্দিন, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সভাপতি অংগ্য মারমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সিমন চাকমা। সভা সঞ্চালনা করেন সুনয়ন চাকমা।

আলোচনায় ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, গারো, মনিপুরীসহ সব জাতিসত্তার জনগণ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ গঠনের পর সরকারের প্রথম ভুল ছিল দেশের সবাইকে বাঙাািল হিসেবে চিহ্নিত করা। ’ তিনি আরো বলেন, ‘সকল জাতিসত্তার মাতৃভাষায় শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলনের মাধ্যমে বহু ভাষা ও বহুজাতির যে বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ঐতিহ্য রয়েছে তা সবার কাছে ফুটে উঠবে। ’ মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক রইসুল হক বাহার বলেন, ‘সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু এই মানদণ্ডের ভিত্তিতে নয়, মৌলিক অধিকারের ভিত্তিতে সকল জাতিসত্তার মাতৃভাষায় শিক্ষা চালু করতে হবে। আমরা যে তিন লক্ষ্য (সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার) নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম তা বাস্তবায়ন হয়নি। ’ বক্তারা বলেন, মাতৃভাষা শিক্ষা চালুর ভার এনজিওদের ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না। সরকারিভাবে সংখ্যালঘুদের জন্য ‘জাতিসত্তার মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট’ চালুর দাবি জানান সব আলোচক।


মন্তব্য