kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

গরুচোর চক্র সক্রিয়

নজরুল ইসলাম, বোয়ালখালী   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বোয়ালখালীতে গরুচোর চক্র সক্রিয় হয়েছে। সমপ্রতি বেশ কয়েকটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।

অপরদিকে পুলিশও তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছে। প্রতিদিনই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে। গতকাল বুধবার গরু চুরি করার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সংঘবদ্ধ চোরের দল বোয়ালখালীর বিভিন্ন স্থানে গরু চুরির পরিকল্পনা করছে। এছাড়া সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল রাতের আঁধারে মিনি ট্রাক নিয়ে এসে গৃহস্থের গরু চুরি করে নিয়ে যায়। এদের হাত থেকে দুধের গাভিও বাদ যায়নি। তবে সামপ্রতিককালে এই প্রথম চুরি হওয়া গরুসহ একজন চোর ধরা পড়ল বুধবার।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে পূর্ব গোমদণ্ডী আতর আলী খলিফার বাড়ি এলাকার মৃত আবু মুসার ছেলে আলী আহমদের গোয়াল ঘর থেকে একটি ষাঁড় চুরি হয়। এটির আনুমানিক দাম ৮০ হাজার টাকা। গতকাল বুধবার ভোর থেকে আলী আহমদের আত্মীয়স্বজন বিভিন্ন এলাকায় গরুটির খোঁজ করেন। এক পর্যায়ে বুধবার দুপুরে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী পশ্চিম গোমদণ্ডী চরখিজিরপুর এলাকার একটি বাড়িতে গরুটির খোঁজ মেলে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে এস আই পীযুষ চন্দ্র সিংহের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ‘গরুচোর’ মনছুর আলমকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় গরুও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মনছুর আলম বোয়ালখালী পৌরসভার পূর্ব গোমদন্ডী গ্রামের মুফতিপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মৃত আবদুল কুদ্দুসের ছেলে। মনছুর পৌর এলাকার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে চরখিজিরপুরে ভাড়া বাসা নিয়ে থাকেন। তিনি সংঘবদ্ধ গরুচোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত বলে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন। ওই চুরির ঘটনায় তাঁর অন্য দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাবে বলে জানিয়েছে।

বোয়ালখালী থানার ওসি মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘একজন গরুচোরকে হাতেনাতে ধরেছি। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। গরুচুরি ঠেকাতে পুলিশ তৎপর আছে। ’


মন্তব্য