kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ । ৪ মাঘ ১৪২৩। ১৮ রবিউস সানি ১৪৩৮।

বাঁশখালী ইকোপার্ক

সড়ক সংস্কারে অনিয়ম

উজ্জ্বল বিশ্বাস, বাঁশখালী   

২৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বাঁশখালী ইকোপার্ক সড়কের সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কারকাজ শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।

সড়ক সংস্কারে অনিয়ম হচ্ছে জানিয়ে বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা মো. হামিদ বলেন, ‘সড়কটির সংস্কারকাজ হচ্ছে এলজিইডির অধীনে। তাই আমরা কাজে কোনো বাধা দিলে ওরা বলে বেড়াবে ঘুষ চেয়েছি। কাজ কী রকম হচ্ছে তা তো সবাই দেখছেন। আগামী বর্ষা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সড়কটি টিকে থাকে কিনা সন্দেহ আছে। ’

শীলকূপ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদীন রিপন, গ্রামবাসী জমশেদ আলী ও আব্দুল মালেক এবং হাটাহাজারী থেকে আসা পর্যটক রহমত আলী জানান, ইকোপার্ক সড়কের সংস্কারকাজ করছেন এস এস কনস্ট্রাকশনের মালিক জসিম উদ্দিন। কাজের মান খুবই নিম্নমানের। শুরুতেই এ ব্যাপারে অভিযোগ করা হলে নিম্নমানের এক গাড়ি বিটুমিন উঠিয়ে নেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মো. শাহ আলম। পরে আবার বিটুমিনগুলো নিয়ে আসা হয়। চার কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির প্রশস্ত ১২ ফুট হওয়ার কথা। তবে কোথাও কোথাও ৮ ফুট ও ১০ ফুট প্রশস্ত করে তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করে দেওয়া হচ্ছে।

শীলকূপ ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক সিকদার বলেন, ‘ইকোপার্ক সড়কের উন্নয়ন কাজের শুরুতে অভিযোগ ওঠলে হইচই পড়ে যায়। তবে ওই সময় কাজ ঠিকমতো করার আশ্বাস দিয়েছিলেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মো. শাহ আলম। ’

তবে বাঁশখালী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, ‘বাঁশখালী ইকোপার্ক সড়কের সংস্কার কাজের মতো কাজ বাংলাদেশের আর কোথাও হয়নি। এটি বাঁশখালীর জন্য একটা থিম। আর এলজিইডির কোনো কাজে দুর্নীতি ও অনিয়ম হয় না। কাজ হলেই দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ বাঁশখালীবাসীর মুখের কথা হয়ে গেছে!’

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস এস কনস্ট্রাকশনের পক্ষে কাজ তদারককারী গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের কাজ হচ্ছে কাজ শেষ করে দেওয়া। দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রকৌশলীরা দেখবেন। এরা ঠিকমতো দেখছেন বলেই তো আমরা ঠিকমতো কাজ করছি। বাঁশখালীবাসীকে সেরা কাজ উপহার দিচ্ছি। ’


মন্তব্য