পেকুয়ায় আওয়ামী লীগে কোন্দল-332601 | দ্বিতীয় রাজধানী | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


পেকুয়ায় আওয়ামী লীগে কোন্দল

ছোটন কান্তি নাথ, চকরিয়া   

৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগে দলাদলি চরমে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম সাহাবউদ্দিন ফরায়েজী খুন হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদ নিয়ে শুরু হয় কোন্দল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্ধারণ নিয়ে সেই কোন্দল প্রকাশ্যে রূপ নেয়।

এ প্রসঙ্গে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম সাহাবউদ্দিন ফরায়েজী খুন হন কয়েক মাস আগে। এতে সভাপতির পদ শূন্য হলে সাবেক সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হলে তা নেতাদের অনেকে মানতে পারেননি। এ নিয়ে দলের মধ্যে অনৈক্য দেখা দিলে জেলা আওয়ামী লীগ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং আমাকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেকুয়া আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেন, বর্তমানে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগে ‘হাইব্রিড’ নেতাদের ভিড়ের কারণে বয়োজ্যেষ্ঠ, ত্যাগী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিতরা দলের দায়িত্ব পাওয়া তো দূরের কথা, ধারে-কাছেও ভিড়তে পারেন না। তবে সম্প্রতি জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে নতুন নেতৃত্ব আসায় তৃণমূলে ফের উজ্জীবিত হচ্ছেন এতোদিন কোণঠাসা হয়ে থাকা সিনিয়র ও বয়োজ্যেষ্ঠ নেতারা।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেনের সঙ্গে যে অশালীন আচরণ  করা হয়েছে, তা আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি নিয়ে করণীয় নির্ধারণের জন্য আমরা অচিরেই বৈঠকে বসব। তবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনো অবস্থাতে বরদাশত করা হবে না।’

তবে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম দাবি করেন, ‘কামাল হোসেনের সঙ্গে কোনো অশালীন আচরণ কেউ করেননি।’

আবুল কাশেম বলেন, ‘আমি পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আমার সম্মান আছে। কিন্তু একটি মহল আমার সম্মানহানি করার জন্য আমার এবং দলের বিরুদ্ধে কাজ করছে।’

মন্তব্য