পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ-330761 | দ্বিতীয় রাজধানী | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



পটিয়া থানা পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে নিরীহ লোকজনকে হয়রানি করার অভিযোগ ওঠেছে। তাঁর নাম শাহ আলম সরকার। এ ব্যাপারে একজন ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ করেছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীকেও বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছেন ওই ভুক্তভোগী।

পটিয়া পৌর এলাকার ইন্দ্রপুলের মেসার্স চানখালী সল্ট ক্রাসিং অ্যান্ড রিফাইনারির ব্যবস্থাপক মো. জোনাইদুর রহমান খান রাসেল সমপ্রতি ওই লিখিত অভিযোগ করেন। এতে বলা হয়, ‘পটিয়া থানার এসআই (উপ-পরিদর্শক) শাহ আলম সরকার প্রায়ই ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। আইনের অপপ্রয়োগ করে নিরীহ লোকজনকে হয়রানি করেন। ভয়ভীতি দেখিয়ে অনৈতিক পন্থায় লাভবান হতে নানা অপকর্মের আশ্রয় নেন।’

হয়রানির একটি ঘটনা বর্ণনা দিয়ে জোনাইদুর রহমান বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে হঠাৎ করে এসআই শাহ আলম সরকার ইন্দ্রপুলে আমার কারখানায় হানা দেন। কোনো অনুমতি ছাড়াই কারখানায় রাখা ২০০ বস্তা পরিমিত মাত্রার আয়োডিন মিশ্রিত লবণ এবং ১০ হাজার প্যাকেট (এক কেজি ওজনের প্রতিটি) কুকমি ব্র্যান্ডের লবণ একটি ট্রাকে করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যান। পরের দিন সন্ধ্যায় আবার কিছু মালামাল নিয়ে ফিরে আসেন। সংশ্লিষ্ট কাউকে কিছু না বলে পণ্যগুলো কারখানার বাইরে খোলা আকাশের নিচে অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যান তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এ সময় সেখানকার আল্লাই সল্ট ক্রাসিং ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক ফজলুল হক এসআই শাহ আলমকে ওই বেআইনি কাজে সহযোগিতা করেন।’ অভিযোগে আরো বলা হয়, ‘চানখালী সল্টের ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট করতে এসব লবণে ভেজাল কিছু মিশানোর আশঙ্কা রয়েছে। আর কিছু পণ্য সরিয়ে ফেলাসহ বিক্রি করে দেওয়া হতে পারে। এগুলো খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকায় ধীরে ধীরে মানও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’

অভিযোগ প্রসঙ্গে উপ-পরিদর্শক শাহ আলম সরকার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘হয়রানি করার অভিযোগ মোটেও সত্য নয়। আমি ওই কারখানায় আইনি দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিলাম। জব্দ করা মালামাল পরে তাঁদের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারখানার বাইরে ফেলে আসার বিষয়টিও সঠিক নয়।’ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ইন্দ্রপুল এলাকার শ্রমিক মো. হারুণ ও মো. হোসেন এবং কারখানার শ্রমিক সর্দার হোসেনসহ অনেকে কালের কণ্ঠকে বলেন, পুলিশ অতর্কিতভাবে কারখানায় ঢুকে পণ্যগুলো ট্রাকে ভরে নিয়ে যায়। পরদিন আবারও ট্রাকে সেগুলো ফিরিয়ে দিয়ে যায়। বর্তমানে এসব পণ্য কারখানার বাইরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে রয়েছে।

মন্তব্য