kalerkantho

লাল বাড়ি, সাদা মানুষ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের পুকুরের উত্তর পারে লাল ইটের একটি ভবন। মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের নিজস্ব ভবন। অর্থাভাবে নির্মাণকাজ আটকে ছিল ১৫ বছর। নিজের জমানো ৭০ লাখ টাকা দিয়ে ভবনটি দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ শফি। শুনে অবাক হয়েছিলেন পিন্টু রঞ্জন অর্ক

১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



লাল বাড়ি, সাদা মানুষ

ছবি : মোহাম্মদ আসাদ

সাভারের প্লটটি বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন। পুরো টাকাটাই বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রারের হাতে তুলে দিয়েছেন ভবনের বাকি কাজ সম্পন্ন করার জন্য। ওই বছরের ২৭ মার্চ মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের একাডেমিক কমিটি নির্মাণাধীন নতুন ভবনের নাম অধ্যাপক শফির নামে করার সিদ্ধান্ত নেয়।

 

১৯৯৮ সালে ড. মোহাম্মদ শফির হাত ধরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের যাত্রা শুরু। কিন্তু বিভাগের নিজস্ব কোনো ভবন ছিল না। প্রাণিবিদ্যা আর অণুজীববিজ্ঞানের ক্লাসরুমে চলত ক্লাস। ২০০০ সালে কর্তৃপক্ষ ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিল। সেই টাকায় একটা একতলা ভবন করার পরিকল্পনা হল। কিন্তু দূরদর্শী ড. শফি ইঞ্জিনিয়ারকে ডেকে বললেন, ‘ভবিষ্যতে তো শিক্ষার্থী বাড়বে। তখন আবার নতুন জায়গা খুঁজতে হবে, নইলে এটা ভাঙতে হবে। তার চেয়ে বরং পাঁচতলার ভিত দিয়ে দেন।’ সেবার পাঁচতলার ভিতসহ একতলা পর্যন্ত হয়েছিল।

কথা ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় টাকা দিলে পাঁচতলা ভবন হবে। কিন্তু একে একে ১৫টি বছর পার হলো, পাঁচতলা আর হলো না। বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক শফি অত্যন্ত মর্মাহত। বাবার অবস্থা ভালো ছিল, বগুড়ায় জমিজমাও আছে। ফলে শিক্ষকতা শুরুর পর অধ্যাপক শফিকে শুধু বেতনের ওপর নির্ভর করতে হয়নি। তার ওপর দেশ-বিদেশে বিভিন্ন সময় গবেষণা করতে গেছেন। সেখান থেকেও ভালো সম্মানী পেয়েছেন। বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করা বাবদও আয় হয়েছে কিছু। তাই কিছু টাকা জমে গিয়েছিল। ঠিক করলেন, সমস্যার সমাধানে ব্যয় করবেন সেই সঞ্চয়। ২০১৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নিজের বেতন থেকে জমানো ৪০ লাখ টাকা তুলে দিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে। সে টাকা থেকেই তৈরি হয়েছে মাৎস্যবিজ্ঞান ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা। ‘বিভাগের জন্ম থেকেই সঙ্গে আছি। একতলা ভবনে গাদাগাদি করে ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাস করে। গবেষণাগারে পর্যাপ্ত জায়গা নেই, ঠিকভাবে শিক্ষকরাও বসতে পারেন না। প্রতিদিন এই দৃশ্য দেখতে আমার খুবই খারাপ লাগত,’ বলতে বলতে অধ্যাপক শফির চোখ ভিজে যায়।

তাই বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর অধ্যাপক শফি লিখেছিলেন, ‘আমার জীবনের কর্মস্থল মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগকে আমি খুবই ভালোবাসি বিধায় আমার কর্মজীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় থেকে ৪০ লাখ টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের নিজস্ব ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার নির্মাণকাজ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য অনুদান হিসেবে প্রদান করলাম। আমার যথেষ্ট বয়স হয়েছে বিধায় আমি যদি আমার জীবদ্দশায় সম্পূর্ণভাবে নির্মিত ভবন দেখে যেতে পারি তাহলে মৃত্যুর পর আমার আত্মা শান্তি পাবে।’

৪০ লাখ টাকা দেওয়ার পরও মাঝপথে কাজ আটকে যায়। আবারও এগিয়ে এলেন অধ্যাপক শফি। সাভারে তাঁর একটি প্লট ছিল। সেটি বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল পুরো টাকাটাই বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রারের হাতে তুলে দিয়েছেন ভবনের বাকি কাজ সম্পন্ন করার জন্য। ওই বছরের ২৭ মার্চ মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের একাডেমিক কমিটি নির্মাণাধীন নতুন ভবনটির নাম রাখে ‘প্রফেসর মোহাম্মদ শফি মাৎস্যবিজ্ঞান ভবন’। যে কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের পুকুরের উত্তর পারে গেলেই দেখবেন, অধ্যাপক শফির স্বপ্নের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে লাল ইটের সেই ভবন।

শিক্ষা ও গবেষণার জন্য অধ্যাপক শফির অনুদান এই প্রথম নয়। ২০১০ সালে তিন লাখ টাকা দিয়ে গঠন করেছিলেন ‘আমেনা-লতিফ ট্রাস্ট ফান্ড’। সেখান থেকে প্রতিবছর মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের তিন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। ২০১১ সালে গঠন করা ‘ড. মোহাম্মদ শফি ট্রাস্ট ফান্ড’ থেকে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম স্থান অধিকারীদের বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ২০০১ সালে নিজের জন্মস্থান সান্তাহারের বিপি স্কুলে বাবার নামে চালু করেন ‘আবদুল লতিফ ছাত্র বৃত্তি কল্যাণ ফান্ড’। একই বছর পাশের কলসা আহসানউল্লাহ ইনস্টিটিউশনে মায়ের নামে চালু হয় ‘আমেনা খাতুন ছাত্রী বৃত্তি কল্যাণ ফান্ড’।

 

আমার কোনো পিছুটান নেই

আদর্শ জীবন ও সুখী জীবন—মানুষের জীবনের এই দুটি ধরন আছে বলে মনে করেন অধ্যাপক শফি। তিনি বললেন, ‘সুখী জীবনে শুধু বর্তমানকে নিয়েই বেঁচে থাকা। আর আদর্শ জীবনে থাকে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের অস্তিত্ব। ভবনটি ভবিষ্যতের জন্য। এতেই আমার সমস্ত সুখ। আমার কোনো পিছুটান নেই, ছেলে-মেয়েরাও যার যার মতো প্রতিষ্ঠিত। অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম, নিজের স্বপ্নপূরণের এ-ই সময়।’ আর সেই স্বপ্নপূরণের উপলক্ষ পেয়ে গেলেন নিজের বিভাগেই।

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে একটা বাড়ি ছিল। ১৯৯৮ সালে সেটা বিক্রি করে ফ্ল্যাট কেনেন এলিফ্যান্ট রোডে। স্ত্রী আনোয়ারাকে নিয়ে সেখানেই থাকেন। ঘোরাঘুরি আর ফটোগ্রাফির শখ। ব্যক্তিজীবনে তিনি তিন ছেলে-মেয়ের বাবা। চাকরির সুবাদে তাঁরা সবাই দেশের বাইরে। ছেলেদের একজন থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে, আরেকজন কানাডায়। একমাত্র মেয়েরও বিয়ে হয়ে গেছে। এখন তিনি নেপালে থাকেন।

 

বাবা ছিলেন আদর্শ

পঞ্চাশের দশকের বগুড়ার সান্তাহার। এলাকার মানুষজন বেশির ভাগই দরিদ্র। দিন এনে দিন খায় অবস্থা। সে তুলনায় ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ সচ্ছল। আট ছেলে-মেয়ের সংসার হলেও ভালোভাবেই দিন কেটে যায়। একদিন কী হলো, আবদুল লতিফ ১০০টা করে প্লেট, গ্লাস, ডেকচি আর চামচ কিনে বাড়ি ফিরলেন। বাড়ি ফিরে সবার উত্সুক চোখের জবাবে বললেন, ‘প্লেট-ডেকচির অভাবে এলাকায় কেউ তো ভালোভাবে কোনো অনুষ্ঠানও করতে পারে না। এখন সবাই এগুলো ব্যবহার করতে পারবে।’ তারপর বিয়ে, আকিকায় এগুলো ব্যবহার করতে থাকল এলাকার মানুষ। বিনিময়ে কারো কাছ থেকে কখনো একটি পয়সাও নেননি আবদুল লতিফ। আবদুল লতিফের চতুর্থ সন্তান মোহাম্মদ শফির তখন পাঁচ কি ছয় বছর বয়স। এই ঘটনা দারুণভাবে দাগ কাটে তাঁর মনে। বড় হয়ে ঠিক করেন, যতটা পারেন বাবার মতোই সাহায্য করে যাবেন মানুষকে। অসহায়ের পাশে দাঁড়াবেন। বললেন, ‘বাবা ছিলেন আমার আদর্শ।’

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ দিয়ে শুরু

১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়ে বেকার বসে ছিলেন মোহাম্মদ শফি। একদিন হলে ফিরে দেখেন, রুমে একজন অপরিচিত লোক বসা। শফিকে দেখেই বলে উঠলেন, ‘আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যক্ষ। আমার কলেজে বায়োলজির কোনো শিক্ষক নেই। আপনার তো পরীক্ষা শেষ। বিছানাপত্র বাঁধেন, আমার সঙ্গে চলেন।’ ওই কলেজে চাকরি করেছিলেন তিন মাসের মতো। মাস্টার্সের ফল বেরোনোর পর যোগ দেন যশোরের এমএম কলেজে। সেখানে ছয় মাস কাটিয়ে গেলেন চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে।

১৯৬৫ সালে রাষ্ট্রীয় বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যের নটিংহাম ইউনিভার্সিটিতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ বেধে যাওয়ায় সব বৃত্তি স্থগিত করে সরকার। পরের বছর সুযোগ পেলেন স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো ইউনিভার্সিটিতে। সেখান থেকেই পিএইচডি করলেন।

১৯৭১ সাল বিষাদের বার্তা নিয়ে এলো। অধ্যাপক শফি তখন চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের শিক্ষক। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্ত্রী সন্তানসম্ভাবনা হওয়ায় চট্টগ্রাম ছাড়তে পারেননি। কয়েকবার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সামনে পড়েছিলেন। কিন্তু নানা কৌশলে বেঁচে যান। ওদিকে তাঁর মাসহ অন্যরা তখন বগুড়ার সান্তাহারে। হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হলেন মমতাময়ী মা, দুই ভাই ও তাঁদের স্ত্রীরা। স্বজন হারানোর সেই ক্ষত আজও শুকায়নি।

১৯৭২ সাল। ড. শফি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরের বছরের জুনে প্রাণিবিদ্যা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে প্রিয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হলো শিক্ষকতা জীবন। ১৯৭৮ সালে চার বছরের অবৈতনিক ছুটি নিয়ে যান ইরাকের বাগদাদে। মাছের ওপর গবেষণার জন্য বাগদাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে মৎস্য বিভাগে যোগ দেন অধ্যাপক হিসেবে। ১৯৮২ সালে দেশে ফিরে যোগ দেন নিজের বিভাগে।

১৯৯৮ সালে মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ খোলার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়। ‘অ্যাকুয়াকালচার ও ফিশারিজ’ নামে নতুন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক মোহাম্মদ শফি, যা এখন নাম বদলে মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ। সব কিছুই তাঁর নিজের হাতে সাজানো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩২ বছরের বর্ণিল কর্মজীবন থেকে অবসরে গেছেন ২০০৫ সালে। অবসর নিয়েছেন, কিন্তু বিশ্রাম নেননি। অবসরের পরও দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত নিজের কোর্সগুলো পড়িয়েছেন তিনি। সপ্তাহে কমপক্ষে দুই দিন বিভাগে আসতেন। পরীক্ষা থাকলে তিন দিন। ‘ছাত্র-ছাত্রীদের ছাড়া আমি থাকতে পারি না। যেদিন ক্লাস থাকে সেই দিনটা খুব ভালো যায়,’ বললেন প্রবীণ এই অধ্যাপক।

 

পড়াশোনা নিয়েই মেতে ছিলেন

বিশ্ববিদ্যালয়ে সাদা-নীল নানা প্যানেল আছে শিক্ষকদের। কিন্তু দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে জড়াননি অধ্যাপক শফি। বিভাগের উন্নয়ন, গবেষণা, প্রকল্প আর ক্লাস নিয়েই কেটেছে তাঁর শিক্ষকজীবন। তাঁর লেখা ছয়টি গবেষণাগ্রন্থ, একটি আত্মজীবনী, ৭০টির মতো প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে আছে ‘বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ’, ‘বঙ্গোপসাগরের মৎস্য সম্পদ’, ‘মাছ’, ‘ব্যবহারিক মৎস্য সম্পদ’, ‘বাংলাদেশ ফিশারিজ’ ও ‘সাফল্য ব্যর্থতায় আমার জীবন’। বিভিন্ন সময়ে ভারতের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডির পরীক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গ্রামীণ মৎস্য ও পশুপালন ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন ১২ বছর।

২০০৭ সালে অধ্যাপক শফিকে মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগে সুপার নিউমেরারি প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এখন তিনি সাম্মানিক (অনারারি প্রফেসর) শিক্ষক।

 

এখন শরীর সায় দেয় না

মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের প্রায় সব শিক্ষক অধ্যাপক শফির সরাসরি ছাত্র। নতুন ভবনে নিজের বসার জন্য একটা কক্ষ পেয়েছিলেন। কিন্তু একজন শিক্ষকের বসার কক্ষ নেই দেখে নিজের নামে বরাদ্দকৃত সেই কক্ষ ছেড়ে দিয়েছেন। এখন বিভাগে গেলে চেয়ারম্যানের কক্ষেই বসেন। বললেন, ‘ওরা তো আমারই ছাত্র। ওদের কষ্ট দেখে থাকতে পারি না। আর আমি তো এখন নিয়মিত বিভাগে যাই না। খামাখা একটা কক্ষ আটকে রাখার কোনো মানে হয় না।’ অধ্যাপক শফির বয়স এখন আশির কাছাকাছি। মন চাইলেও আগের মতো শরীর সায় দেয় না। তাই নিয়মিত বিভাগে যেতে পারেন না। কিছুদিন আগে নিউমোনিয়া বেশ কাবু করে দিয়েছিল। এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় কাটান। বই পড়েন। ছাত্রদের কেউ চাইলে তার গবেষণায় দিকনির্দেশনা দেন।



মন্তব্য