• ই-পেপার

দুই হাজার তিমি শিকার করবে আইসল্যান্ড

বাহরাইনে পাঁচ ধর্মীয় আলেমসহ ২০ শিয়া কর্মী আটক

অনলাইন ডেস্ক
বাহরাইনে পাঁচ ধর্মীয় আলেমসহ ২০ শিয়া কর্মী আটক
ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইনে শিয়া সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান আরো জোরদার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। সর্বশেষ অভিযানে অন্তত ২০ জন শিয়া কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন পরিচিত ধর্মীয় আলেমও রয়েছেন।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার বাহরাইনের পুলিশ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় সাইয়্যিদ ইয়াসিন মুসাভি, শেখ আলি আল-মুস্তারিশদ, শেখ জাফর আশুর, শেখ নাজির মালিক এবং শেখ মাহমুদ তাহেরিকে আটক করা হয়। তারা সবাই শিয়া সম্প্রদায়ের পরিচিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।

বাহরাইনে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন 'আমেরিকানস ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ইন বাহরাইন' জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই গ্রেপ্তারের ফলে মে মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আটক হওয়া শিয়া নেতা ও কর্মীর সংখ্যা অন্তত ৫৩ জনে পৌঁছেছে। সংগঠনটির দাবি, গত কয়েক সপ্তাহে দেশজুড়ে শিয়া সম্প্রদায়ের বিভিন্ন নেতা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালানো হচ্ছে।

এদিকে, বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিদেশি একটি রাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগ এনেছে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে নিয়মিত ও কার্যকর যোগাযোগ রাখার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে স্থানীয় মানবাধিকার ও অধিকারভিত্তিক সংগঠনগুলোর দাবি, কর্তৃপক্ষ ২০০৬ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো ব্যবহার করে এসব গ্রেপ্তার চালাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় বক্তব্য, মতপ্রকাশ এবং ভিন্নমতকে দমন করার জন্য এই আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকেও অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে বাহরাইনের এই ধরপাকড় দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। 


 

দিল্লির হোটেলে আগুন

অসুস্থ প্রিয়জনকে দেখতে এসে একই পরিবারের ৮ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
অসুস্থ প্রিয়জনকে দেখতে এসে একই পরিবারের ৮ জনের মৃত্যু
ছবি : পিটিআই।

অসুস্থ প্রিয়জনকে দেখে আবার ঘরে ফেরার কথা ছিল সবার। কিন্তু সেই অপেক্ষার রাতই পরিণত হলো শোকের বিভীষিকায়। ভারতের রাজধানী দিল্লির দক্ষিণাঞ্চলের মালভিয়া নগরের হাউজ রানি এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের আট সদস্যও রয়েছেন।

গতকাল বুধবার দক্ষিণ দিল্লির মালভিয়া নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ দিল্লির নামী ‘ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল’ কাছে হওয়ায় অনেক বিদেশি নাগরিকও  ‘ফ্লাওরিশ স্টে’ হোটেলটিতে অবস্থান করছিলেন। দুর্ঘটনার সময় সেখানে প্রায় ৪০ জন অতিথি ছিলেন।

এ ঘটনার কয়েক দিন আগে নগরের ‘ফ্লাওরিশ স্টে’ হোটেলে উঠেছিলেন গুরুগ্রামের বাসিন্দা বিবেক আগরওয়াল ও তার পরিবার। তখন কেউই ভাবতে পারেননি, সেই হোটেলই তাদের জীবনের শেষ ঠিকানা হয়ে উঠবে। পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট বিবেক আগরওয়াল, তার স্ত্রী তারজানি আগরওয়াল, দুই মেয়ে পার্ল (১৫) ও জিভিশা (২০) এবং মা প্রেমলতা আগরওয়াল। সবাই গতকাল বুধবার ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মারা যান।

নিহত বিবেকের বাবা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হোটেলটির পাশের হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতালে থাকা স্বজনের দেখাশোনা সহজ করতে তারা সেখানে অবস্থান করছিলেন। শুধু এই পাঁচজনই নন, পরিবারের অসুস্থ প্রবীণ সদস্যকে দেখতে রাজস্থান থেকে আসা আরো তিন আত্মীয়ও আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন। ফলে একই পরিবারের মোট আটজন সদস্যের মৃত্যু হয়।

মাত্র কয়েক মিনিটের আগুনে একটি পরিবারের তিন প্রজন্মের মানুষ চিরতরে হারিয়ে যায়। এদিকে হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা বিবেকের বাবা এখনো জানেন না যে, তার স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ, নাতনি এবং অন্য স্বজনেরা আর বেঁচে নেই। এই মর্মান্তিক ঘটনায় দিল্লিসহ ভারতজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবারের এক আত্মীয় অজয় গুপ্ত বলেছেন, ‘কী ঘটেছে তা বোঝাও কঠিন।’ গুপ্ত বলেন, তারজানি তার ভাইঝি ছিল এবং পরিবারটি শুধু হাসপাতালের কাছাকাছি হওয়ার কারণেই ওই হোটেলে থাকছিল।

অশ্রুসিক্ত চোখে তিনি আরো বলেন, ‘ওরা সেখানে ছিল শুধু এই কারণে যে বিবেকের বাবা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। হোটেলটি কাছেই ছিল এবং তার চিকিৎসার দেখাশোনা করার সময় পরিবারের জন্য সেখানে থাকাটা সুবিধাজনক ছিল।’

আগুনে প্রাণ হারানো স্বজনদের শেষ মুহূর্তগুলো কেমন ছিল, তা ভেবে এখনো শোকে স্তব্ধ আগরওয়াল পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের এক আত্মীয় গুপ্তা জানান, আগুন ও ধোঁয়ায় চারপাশ ঢেকে যাওয়ার সময় তিনি বিবেক আগরওয়ালের কাছ থেকে একটি ফোন কল পেয়েছিলেন।

গুপ্তার ভাষ্য, ‘বিবেক আমাদের কাছে সাহায্য চাইছিলেন। তিনি ভীষণ ভীত ছিলেন। তিনি বলছিলেন, তারা সবাই হোটেলের ভেতরে আটকা পড়েছেন। চারদিকে শুধু ধোঁয়া, শ্বাস নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। বের হওয়ার কোনো পথ তারা খুঁজে পাচ্ছিলেন না।’

আগুন লাগার সময় তারা ফোনে ভেতরে আটকে পড়া স্বজনদের আর্তনাদ শুনছিলেন তিনি। কিন্তু দূরে থাকায় তাদের সাহায্য করার কোনো উপায় ছিল না।

তিনি বলেন, ‘আমরা কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করছিলাম, সাহায্য করার চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু আমাদের কিছুই করার ছিল না। তাদের সেই শেষ কথাগুলো সারাজীবন আমাদের কানে বাজবে।’

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, হোটেলটির কাচেঘেরা জানালা এবং সেন্সরনিয়ন্ত্রিত গেট আগুন লাগার সময় ঠিকমতো খুলতে না পারায় অনেকেই বের হতে পারেননি। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো ভবনটি আগুনে গ্রাস হয়ে যায়।

নিহত আগরওয়াল পরিবারের সদস্যদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের পর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে। এদিকে গুরুগ্রামের সেক্টর-৪৬ এলাকায় আগরওয়াল পরিবারের বাড়িতে এখন শুধুই নীরবতা। যে বাড়ি একসময় পরিবারের সদস্যদের কোলাহলে মুখর ছিল, সেখানে এখন দিনের পর দিন দরজার ঘণ্টা বেজে চললেও সাড়া দেওয়ার মতো কেউ নেই। 

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত নতুন ৫ দেশ

অনলাইন ডেস্ক
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচিত নতুন ৫ দেশ
নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচনে জয়লাভের পর পর্তুগিজ প্রতিনিধিদল উল্লাস করছে। ছবি : রয়টার্স

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আগামী ১ জানুয়ারি, ২০২৭ থেকে দুই বছর মেয়াদের জন্য নতুন ৫ দেশকে নির্বাচিত করা হয়েছে। অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত নতুন দেশগুলো হলো—অস্ট্রিয়া, কিরগিজস্তান, পর্তুগাল, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ও জিম্বাবুয়ে।

বুধবার (৩ জুন) সংস্থাটির সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গোপন ভোটাভুটিতে তাদের বেছে নেয় সদস্য দেশগুলো। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

গণমাধ্যমটির তথ্য মতে, ইউরোপ থেকে জার্মানিকে হারিয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছে অস্ট্রিয়া ও পর্তুগাল। অন্যদিকে, ফিলিপাইনকে হারিয়ে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সদস্যপদ পেয়েছে কিরগিজস্তান।

বাকিরা নির্বাচিত হয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। পাকিস্তান, সোমালিয়া, পানামা, গ্রিস ও ডেনমার্কের স্থলাভিষিক্ত হবে দেশগুলো।

ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রতি বছর ৫টি করে দেশ ২ বছরের জন্য অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। ১০ অস্থায়ীসহ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫।

নিরাপত্তা পরিষদের এই নির্বাচনের আগের দিন (মঙ্গলবার) জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের সমন্বয়ে গঠিত সাধারণ পরিষদ ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে নির্বাচিত করেছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে তার এই ঐতিহাসিক মেয়াদকাল শুরু হবে।

চীনের গুপ্তচর তৎপরতা বাড়ছে, সতর্কবার্তা ফাইভ আইজের

অনলাইন ডেস্ক
চীনের গুপ্তচর তৎপরতা বাড়ছে, সতর্কবার্তা ফাইভ আইজের
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা জোট ‘ফাইভ আইজ’ চীনা গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা জারি করেছে। বুধবার প্রকাশিত এক যৌথ বুলেটিনে বলা হয়, চীনা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সংবেদনশীল তথ্যের প্রবেশাধিকার রয়েছে এমন ব্যক্তিদের নিয়োগে অনলাইন চাকরি ও পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে।

‘সেফগার্ডিং আওয়ার সিক্রেটস’ শীর্ষক ওই বুলেটিনে বলা হয়েছে, চীনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক সদস্য এবং গোপন তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করছে। এ জন্য তারা বিভিন্ন অনলাইন নিয়োগ সেবা ও পেশাদার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ফাইভ আইজভুক্ত দেশগুলোর নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর দাবি চীনের উদ্দেশ্য হলো সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা, যা তাদের কৌশলগত ও নিরাপত্তাগত সুবিধা দিতে পারে।

যদিও এর আগে বিভিন্ন দেশ পৃথকভাবে এমন অভিযোগ তুলেছিল, তবে পাঁচ দেশের যৌথভাবে এ ধরনের সতর্কবার্তা প্রকাশকে নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বেইজিং এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

লন্ডনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, তথাকথিত ‘চীনা গুপ্তচরবৃত্তির হুমকি’ নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ মনগড়া এবং বিদ্বেষপূর্ণ অপবাদ’। তিনি এ ধরনের অভিযোগের নিন্দাও জানান।

পশ্চিমা গোয়েন্দা জোট ফাইভ আইজ সতর্ক করে বলেছে, চীনা গুপ্তচররা বিশেষভাবে প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র ও গোয়েন্দা বিষয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞ এবং সামরিক সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কর্মরত ব্যক্তিরাও এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, শুধু সরকারি কর্মকর্তা নয়, সাংবাদিক, থিংক ট্যাংকের গবেষক এবং যাদের সরকারি তথ্যের পরোক্ষ প্রবেশাধিকার রয়েছে, তারাও নজরদারির আওতায় আছেন।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, চীনা গুপ্তচররা মানুষ নিয়োগের জন্য আক্রমণাত্মক অনলাইন কৌশল ব্যবহার করছে। সফলভাবে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের চীনা সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গ্রাহকের জন্য গোপন বা সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ করতে চাপ দেওয়া হয়।

এ ধরনের কাজের বিনিময়ে নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রতিটি প্রতিবেদনের জন্য কয়েক শ থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ দেওয়া হতো। আরো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্যের জন্য বেশি অর্থের প্রস্তাবও দেওয়া হতো। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করেছিল, চীনা গোয়েন্দারা প্রতারণামূলক পদ্ধতিতে বর্তমান ও সাবেক মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের টার্গেট করছে।

অন্যদিকে, গত নভেম্বরে ব্রিটেনের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই ৫ সংসদ সদস্যদের চীনা এজেন্টদের গুপ্তচরবৃত্তির প্রচেষ্টা সম্পর্কে সতর্ক করেছিল।


 

দুই হাজার তিমি শিকার করবে আইসল্যান্ড | কালের কণ্ঠ